1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
দুই এসএমই কোম্পানির ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ের তদন্তে বিএসইসি - আজকের কাগজ
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নেশার নৃশংসতায় রক্তাক্ত কুড়িগ্রাম, স্বজনের হাতেই ঝরছে প্রাণ! অফিসে নয়, রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থনের প্রতিফলন ঘটবে ব্যালটে: প্রধানমন্ত্রী প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে ভোট, ইভিএম আর নয়: ইসি সচিব নতুন বছরে বই-ড্রেস-জুতা-ব্যাগ পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ নড়াইলের কাজলা নদীতে নারীদের অভূতপূর্ব নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা ঢাবির পাঁচটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, পালানোর সময় আটক ২ রমজান সামনে রেখে পণ্য আমদানির এলসি খোলার শর্ত শিথিল টেকনাফে অসময়ে বাজারে লাল-হলুদ তরমুজ, মাচায় চাষ করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চার বন্ধু রাতেও ছিলেন ঘরে, সকালে মিলল বাগানে নিথর দেহ

দুই এসএমই কোম্পানির ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ের তদন্তে বিএসইসি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ৯:৩৯ এএম
শেয়ার করুন

পুঁজিবাজারের এসএমই খাতের কোম্পানি কৃষিবিদ সিড ও ওয়েব কোটসের উত্তোলিত মূলধনের ব্যবহারের স্বচ্ছতা যাচাইয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত ২ নভেম্বর কমিশন থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিউআইও বা কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা ১৭ কোটি টাকা নির্দিষ্ট খাতে ব্যয় হয়েছে কি না, তা মূলত খতিয়ে দেখা হবে।

তদন্ত কমিটিতে কৃষিবিদ সিডের বিষয়টি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিএসইসির উপপরিচালক মওদুদ মোমেন ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রুমান হোসেনকে। অন্যদিকে, ওয়েব কোটসের আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য দায়িত্ব পেয়েছেন কমিশনের যুগ্ম পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সহকারী পরিচালক ফারহানা ওয়ালেজা।

বিএসইসির নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোম্পানি দুটি যে উদ্দেশ্যে কিউআইওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছিল, তা যথাযথ খাতে ব্যয় হয়েছে কি না সেটি যাচাই করতে হবে। এর পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর দাখিল করা আর্থিক প্রতিবেদনের বিপরীতে সরেজমিনে সম্পদ, প্রকল্প ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সত্যতা নিশ্চিত করতে তদন্ত দলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে কোম্পানি দুটির ব্যাংক হিসাবের লেনদেনসহ আর্থিক খাতের বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে এবং এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তালিকাও তৈরি করা হবে।

তদন্তকালীন যদি কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা জালিয়াতি পরিলক্ষিত হয়, তবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়বদ্ধতা নিরূপণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, কোম্পানি সচিব এবং নিরীক্ষকদের ভূমিকা সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে বলা হয়েছে। যথাযথ নিয়মনীতি মেনে অর্থ ব্যয় করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করাই বর্তমান তদন্তের মূল লক্ষ্য।

এই বিভাগের আরো খবর