1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
দুদকের অনুসন্ধানে এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তা - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ডলারের নতুন দর নির্ধারণ করলো মানি চেঞ্জার এসোসিয়েশন কালিয়াকৈর হাইটেক সিটি থেকে চোরাই মালামালসহ ৬ জন আটক ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি, গ্রেপ্তার ১ বাবার লাশ বারান্দায়, কবরের জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষ ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় জ্বলছে রুশ দ্বিতীয় বৃহৎ ই-কমার্সের ৬ ডিপো হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চউকের অভিযান অব্যাহত, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা ভোলাহাটে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার! টেকনাফে বিদেশি এসএমজি উদ্ধার, ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় মহাসড়কে অবৈধভাবে নির্মাণ সামগ্রী রাখায় চসিক’র অভিযান

দুদকের অনুসন্ধানে এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫ ১২:৫৯ পিএম
শেয়ার করুন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বৃহস্পতিবার তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায়।

যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে, তারা হলেন- বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা পূর্ব কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, আয়কর বিভাগের অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা, উপকর কমিশনার মো. মামুন মিয়া ও কর পরিদর্শক লোকমান আহমেদ।

অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা হলেন এনবিআরের আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের মহাসচিব।

দুদকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অসাধু সদস্য ও কর্মকর্তারা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও এনবিআরের কর্মকর্তারা নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য নির্ধারিত পরিমাণ কর আদায় না করে তাদের করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিবছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুষ না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানমালিককে হয়রানি করেন।

দুদক জানায়, অনেক করদাতা আগাম কর দেন। আবার কেউ কেউ বেশি কর দেন। নিয়ম হচ্ছে, এই কর হিসাব-নিকাশ করার পর বেশি দেওয়া হলে তা ওই করদাতাকে ফেরত দিতে হয়। কিন্তু তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, করের বাড়তি টাকা ফেরত পেতে আরও অন্তত অর্ধেক টাকা ঘুষ বা উপহারে খরচ হয়। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তারা করের টাকা ফেরত দিতে নিজেরাও কামিয়ে নিচ্ছেন মোটা টাকা।

এর আগে গত চার দিনে এনবিআরের সদস্য, কমিশনারসহ উচ্চ পদের ১১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এই বিভাগের আরো খবর