1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ধর্মপাশা-মধ্যনগরে বিভিন্ন হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজে ধীরগতি - আজকের কাগজ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দেশে আসছে পেপ্যাল, ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার পাবেন পরিচয়পত্র : প্রধানমন্ত্রী নৌ অবরোধ তুলে নিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব হবে না: ট্রাম্প অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত ইরানের শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিলেন স্ত্রী ‎ক্লাস পরিক্ষা বন্ধ করে শিক্ষকদের আন্দোলন,ক্ষোভ ও হতাশায় ববির শিক্ষার্থীরা হিলিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় শিশুর মৃত্যু চলমান আন্দোলন নিয়ে ববি শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ, স্বাক্ষর ব্যবহার নিয়ে নিজস্ব ফেসবুক গ্রুপে প্রতিবাদ

ধর্মপাশা-মধ্যনগরে বিভিন্ন হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজে ধীরগতি

ধর্মপাশা ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬ ৬:৩১ পিএম
শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার ১৩৪টি হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজের পিআইসিদের গাফিলতির কারণে কাজ ধীরগতিতে চলছে।

ধর্মপাশা উপজেলায় হাওর গুলির মধ্যে চন্দ্র সোনার থাল, সোনামড়ল,জয়ধুনা, কালিহানি,ধানকুনিয়া ও গুরমার হাওরের মোট ৯৩ টি কাবিটা প্রকল্পের মধ্যে চলতি বছরে সরকারি ব্যায় ধরা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। গত ১৫ ডিসেম্বর চন্দ্র সোনার থাল হাওর রক্ষা বাঁধের শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি বাঁধের কাজ শুরু হয় কিন্তু পানি না নামার কারণে সিংহভাগ পিআইসির কাজ শুরু হয়নি। পিআইসিরা জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের খালগুলি ভরাট হওয়ার কারণে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় সঠিক সময়ে কাজ আরম্ভ করতে পারছেনা কিন্তু নির্ধারিত ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উদ্বোধনের পর বিগত ১মাসে প্রায় ১৮% ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকী কাজ সম্পন্ন হবে। ধর্মপাশা উপজেলায় হাওর বাঁধে বিভিন্ন স্থানে ১০ টি সুইজ গেইটের মধ্যে ৭টি জোড়াতালি দিয়ে বিগত বছরে চলছিল বাকি ৩ টি সর্ম্পূণ রুপে অকেজো। আগাম বন্যা হলে হাওর রক্ষা বাঁধ নয় সুইজ গেইট দিয়ে পানি ঢুকে হাওর গুলি তলিয়ে যেতে পারে বলে কৃষকেরা আশংকা করছে।

অন্যদিকে মধ্যনগর উপজেলায় ঘোড়াডোবা হাওর, কালিহানি হাওর, শালদিঘার হাওর,রুইবিল হাওর ও গুরমার হাওরের অংশে মোট ৪১ টি ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামত ও নির্মাণ কাজের জন্য চলতি অর্থবছরে সরকারি বরাদ্দ ৮ কোটি ৮০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। বিগত ১৫ ডিসেম্বর কালিহানির হাওরের ১২ নং পিআইসি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু বিগত ১ মাস পেরিয়ে গেলেও প্রকল্প সমূহের দূশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। অনেক পিআইসিতে কাজ শুরু করা হয়নি।পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ নুরে আলম বলেন, হাওরের পানি দেরিতে নামার কারণে পিআইসির কাজ পুরোদমে শুরু করেও বিলম্বিত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের ১৫% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে। অন্যদিকে ফসল রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ৪ টি সুইজ গেইট রয়েছে যাহা জোড়াতালি দিয়ে চলছে। সুইজ গেইটগুলি সঠিকভাবে মেরামত করা না হলে আগাম বন্যা হাওরের ফসল রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানিয়েছে। সবদিক মিলিয়ে ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার ভুক্তভোগী কৃষকেরা অভিযোগ করেন এখন পর্যন্ত ফসল রক্ষা বাঁধের অগ্রগতি নেই বললেই চলে। ধর্মপাশা ও মধ্যনগর কাবিটা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটি সূত্রে জানা যায়, সার্ভে দেরিতে হওয়ায় এবং পিআইসি কমিটি গঠন বিলম্বিত হওয়ায় বাঁধের কাজ পিছিয়েছে তবে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্লোজার এবং ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাঁধের সকল কাজ সম্পন্ন করা হবে।

ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন হাওরে পরিদর্শন কালে কৃষকেরা জানায়,প্রতি বছরই একই কথা শোনা যায় – কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু মাঠে এসে দেখি কোনো কাজ নেই। এখন যেভাবে কাজের গতি চলছে আর পিআইসিগুলোর মধ্যে দায়িত্ব নিয়ে টানাপোড়েন দেখা যাচ্ছে, তাতে শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করে শুধু নামমাত্র কাজ করা হবে। এ ধরনের কাজ আগাম বন্যার চাপ সামলাতে পারবেনা এবং সুইজ গেইটগুলি অকেজো থাকার কারণে চলতি মৌসুমে বোরো ফসল চরম ঝুঁকিতে পড়বে। তাই ফসল রক্ষাত্বে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে আকুল আবেদন জানান জরুরী ভিত্তিতে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ, মেরামত সম্পন্ন ও সুইজ গেইটগুলি মেরামত করা একান্ত প্রয়োজন।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *