1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
বিএনপি নির্বাচনে না এসে নাশকতার চেষ্টা : প্রধানমন্ত্রী - আজকের কাগজ
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শনিবার কক্সবাজার থেকে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংককে ফেইল করিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা চলছে: অর্থমন্ত্রী সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার: জাহেদ উর রহমান মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে বিমানের ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত অবসরের ভাবনা প্রত্যাখ্যান করলেন শেখ হাসিনা দেশের ১০ জেলায় রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা হামলায় নিহত খামেনির দাফনের সময় জানালো ইরান শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আন্দোলন সংগ্রামে জবি প্রেসক্লাবের ভূমিকা অগ্রগামী: উপাচার্য বেহাল লেঙ্গুর বিল সড়কের, টেকনাফ ষ্টেশন অংশে বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও মৃত্যুঝুঁকি হাকিমপুরে নবাগত ইউএনও জর্জ মিত্র চাকমা’র যোগদান, ফুলেল শুভেচ্ছা

বিএনপি নির্বাচনে না এসে নাশকতার চেষ্টা : প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১২:২৮ পিএম
শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে না এসে নাশকতার চেষ্টা করছে। রেললাইন-বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করছে, যা সারা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। বিএনপি সন্ত্রাসী দল, এদের রাজনীতি করার অধিকার বাংলাদেশে নেই। আর এদের দোসর হচ্ছে জামায়াত, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কখনোই চায়নি।এদের এখনই প্রতিহত করার সময়।

আজ শুক্রবার বরিশাল জেলা-মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বরিশাল বিভাগ অন্ধকারে ছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বরিশাল বিভাগকে আলোকিত করেছে।

এখন বরিশাল বিভাগের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ রয়েছে। আর এটাই ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে ঘোষণা আওয়ামী লীগ দিয়েছিল তার প্রথম ধাপ। আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ উপহার দেওয়া। শিক্ষা-অর্থনীতি সব কিছুই হবে স্মার্ট।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘সারা বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে আমি পদ্মা সেতু করেছি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। যার প্রমাণ বরিশাল বিভাগে হওয়া ব্যাপক উন্নয়ন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বরিশালে সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর ক্যাম্প হয়েছে, পায়রা বন্দর হয়েছে। প্রায় প্রত্যেকটি নদীর ওপরই সেতু হয়েছে।

ঢাকা থেকে ভাঙা পর্যন্ত যে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে তা দেখলে মনে হয় আমরা বিদেশে রয়েছি। এখন ভাঙ্গা থেকে বরিশাল, বরিশাল থেকে পায়রা বন্দর, পায়রা বন্দর থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেন সড়ক করা হবে, ইতিমধ্যে তার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বরিশাল শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা বরিশালের সুনাম ফিরিয়ে আনতে চাই। এ জন্য শস্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সাইলো নির্মাণ করা হচ্ছে। মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হবে বরিশালে।’

সরকারের নানা অর্জন তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। ২০০১ সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল ছিল বাংলাদেশের জন্য অন্ধকার যুগ। সাধারণ মানুষকে যে পরিমাণ নির্যাতন করেছে তার জবাব ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা বিএনপি-জামায়াতকে দিয়েছে। ওই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত মাত্র ৩০টি আসন পেয়েছে।

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সভাপতিত্ত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাপা সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, আওয়ামী লীগে সদ্য যোগদান করা ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর (বীর উত্তম), অভিনেত্রী তারিন জাহান ও অভিনেতা মীর সাব্বির প্রমুখ।

জনসভার সমন্বয়ক ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশালে পৌঁছেছেন। শুক্রবার বেলা একটার দিকে প্রধানমন্ত্রী বরিশালে পৌঁছে সার্কিট হাউসে অবস্থান নেন। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে দুপুর তিনটায় ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে সভামঞ্চে আসেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আসতে শুরু করেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। নানা রঙের শাড়ি, রঙিন ক্যাপ-পোশাক পরে মাঠে আসেন দলীয় সমর্থকরা। সঙ্গে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সমাবেশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী-সমর্থক জড়ো হন। দুপুর ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় সমাবেশ।

জনসমাবেশ উপলক্ষে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শেখ হাসিনার নির্বাচনী সমাবেশস্থলে নৌকার আদলে বিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। সমাবেশে প্রায় ১০ লাখ লোকের সমাগম হয়েছে বলে দাবি বরিশাল জেলা-মহানগর আওয়ামী লীগের। নির্বাচনী এ জনসভায় বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার সংসদীয় সব কটি আসনের দলীয় প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যোগ দেন।

এই বিভাগের আরো খবর