1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
বিজ্ঞান মেলায় অর্থ সহায়তা বন্ধ,পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সিদ্ধান্তে হতাশ শিক্ষার্থীরা - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত যুবদল নেতার বিরুদ্ধে |: গোমস্তাপুরে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা ঘটনায়, টাকা ছিনতাইয়ের শিক্ষামন্ত্রী: আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু: জড়িতদের ধরতে মাঠে পুলিশ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা কুমিল্লায় প্রাইভেটকার থেকে ২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ অবশেষে ব্যাপক সমালোচনার মুখে শ্যালিকাকে তালাক দেয়ার ঘোষণা দিলেন টিকটকার মাসুদ

বিজ্ঞান মেলায় অর্থ সহায়তা বন্ধ,পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সিদ্ধান্তে হতাশ শিক্ষার্থীরা

জিসান আহামেদ কাব্য
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫ ৮:৪৫ এএম
শেয়ার করুন
বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য হতাশাজনক খবর দিয়েছে সরকারি বাঙলা কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ। বিভাগীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের বিজ্ঞান মেলার জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছে, তারা যদি অংশগ্রহণ করতে চান, তবে নিজ খরচে প্রজেক্ট তৈরি করতে হবে।
বিভাগের প্রধান তাসলিমা ফেরদৌস ও সহকারী অধ্যাপক  আরেফিন স্যারের যৌথ মতামতে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, “বিভাগীয় বাজেটে বিজ্ঞান মেলার জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।”
এদিকে, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে ৭ ও ৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের জন্য দুটি বিশেষ প্রকল্প তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
প্রকল্প দুটি হলো:
১) Anti-Missile Destroyer
২) Cross Watch
এই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করতে আনুমানিক ১১ হাজার টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এই অর্থ সহায়তার আবেদন বিভাগীয় প্রধান বরাবর করলেও কোনো বরাদ্দ না পাওয়ায় তাঁরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এই সিদ্ধান্তে বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, “ভর্তি হয়েই প্রথমবার বিজ্ঞান মেলায় অংশ নেওয়ার স্বপ্ন ছিল। এখন শুনছি নিজের টাকায় করতে হবে—ভীষণ নিরুৎসাহিত লাগছে।”
দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, “সবাই তো আর সমান আর্থিকভাবে সক্ষম না। অর্থ না থাকলে কি বিজ্ঞানচর্চা বন্ধ থাকবে?”
তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, “বিজ্ঞান মেলা মানে তো গবেষণামূলক চিন্তা ও উদ্ভাবন। বিভাগ যদি সেই জায়গায় পাশে না থাকে, তাহলে আমরা কিভাবে আগ্রহ নিয়ে কাজ করব?”
চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, “নিজ খরচে সব করতে গেলে অনেকেই অংশ নিতে পারবে না। এতে সৃজনশীল ছাত্ররা পিছিয়ে পড়বে।”
মাস্টার্সের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা যখন জুনিয়র ছিলাম, তখনও তেমন সহযোগিতা পাইনি। কিন্তু এবার ভাবছিলাম অভিজ্ঞতা দিয়ে গাইড করব—কিন্তু এখন কারো আগ্রহই থাকছে না।”
শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেখানে গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রম বাড়ানোর কথা, সেখানে বিভাগীয় এই ধরনের অবস্থান অত্যন্ত হতাশাজনক।
বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিজ্ঞানচর্চা এবং প্রজেক্টভিত্তিক শেখার পরিবেশ তৈরি না হলে ভবিষ্যতে গবেষণার মান ও উদ্ভাবন উভয়ই ব্যাহত হবে।
ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসন বা বিভাগের পক্ষ থেকে যদি বিষয়টি পুনর্বিবেচনা না করা হয়, তবে ভবিষ্যতে বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের অনাগ্রহ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই বিভাগের আরো খবর