
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত মাসিক (সেপ্টেম্বর ২০২৬) অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এ নির্দেশ দেন।
ভার্চুয়ালি এ সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা যুক্ত ছিলেন। এসময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছিলেন।
সভায় সায়েদুর রহমান বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
তিনি সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি বাড়ানোর জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
পুলিশের এই ডিআইজি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে জনগণের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে।
এছাড়া ডাকাতি মামলা রেকর্ড ও ঘটনা দ্রুত উদঘাটনের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দেন সায়েদুর রহমান।
তিনি বলেন, ধর্ষণ মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারক করতে হবে, যাতে বিচারে সাজার হার বাড়ে। এছাড়া তিনি সার্বিকভাবে অন্যান্য মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পুলিশের এই ডিআইজি বলেন, সমাজে ইতিবাচক ইমেজধারী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে একটি কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
সম্প্রতি সমাপ্ত শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদে-নির্বিঘ্নে উদযাপিত হওয়ায় তিনি মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আইজিপির পক্ষে ধন্যবাদ জানান।
সভায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসহ সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, পুলিশ আক্রান্ত ও অপহরণ মামলা এবং মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, তদন্ত ও বিচারের ফলাফল, সাজার হার ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।