
বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার (হিলি) আনাচে-কানাচে ছিল উৎসবের আমেজ, তবে তা শোক ও শ্রদ্ধার চাদরে ঢাকা। প্রতিবারের মতো এবারও নানা বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেছে স্থানীয় প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণ।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয়ের ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়। ঠিক সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে হাকিমপুর উপজেলা চত্বরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে এই তোপধ্বনির মাধ্যমে শহীদদের প্রতি প্রাথমিক সম্মান জানানো হয়। তোপধ্বনির পর পরই শুরু হয় বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পালা। প্রথমে উপজেলা প্রশাসন এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ সম্মিলিতভাবে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এরপর একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
এরপর বিপুল সংখ্যক সাধারণ জনগণ দল বেঁধে ফুল হাতে স্মৃতিস্তম্ভে এসে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়৷ বিজয় দিবসের এই আয়োজনে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন (অশোক বিক্রম চাকমা হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
সাব্বির হোসেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
ফেরদৌস রহমান হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক এস এম বিপুল হোসেন। মহিলা দলের নেত্রীরা, আনোয়ার হোসেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক।
এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
Leave a Reply