1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
আট শিক্ষকের কলেজে চার পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র একজন - আজকের কাগজ
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
টিএমজিবির নতুন নেতৃত্বে মাসুদ রুমী ও কুমার বিশ্বজিত আট শিক্ষকের কলেজে চার পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র একজন সৌরবিদ্যুৎ ও সরকারি ক্রয় অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের অনুমোদন মন্ত্রিসভার মেসির দেওয়া বিশেষ এক ভোটে আপ্লুত আলজেরিয়ান তরুণ ইব্রাহিম মাজা সংসদ সদস্য সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা ট্রাইব্যুনাল সালিসের চেয়ে নিচে নেমে গেছে: প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার কুমিল্লায় দলিল থাকার পরও জমিতে ঢুকতে পারছেন না ক্রেতারা আন্দোলনের নামে সহিংসতায় ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রমিক আন্দোলনে পলাতক অপশক্তির অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ মিলেছে: মাহদী

আট শিক্ষকের কলেজে চার পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র একজন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ ৯:০৫ পিএম
শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের সাটিয়াচড়া গ্রামে অবস্থিত ছাফদার আলী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও চলতি বছরের পরীক্ষায় কলেজটি থেকে অংশ নেওয়া চারজন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ। গত বছরও একই চিত্র ছিল, যেখানে ছয়জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন মাত্র একজন। এমন ধারাবাহিক হতাশাজনক ফলাফলে শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল। ৮ জন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও চলতি বছর কলেজটি থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী। এছাড়াও এই নাজুক ফলাফলে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও সচেতনমহল। গত বছর ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এতে পাস করেন মাত্র ১ জন।

২০০৭ সালে ডা. মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ তাঁর বাবা ছাফদার আলীর নামে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটির কাগজপত্রে ২১ জন শিক্ষকের নাম থাকলেও বর্তমানে বাস্তবে আটজন শিক্ষক কর্মরত আছেন। স্থানীয় বাসিন্দা শামীম আল মামুন চৌধুরীর অভিযোগ, কলেজটিতে পড়াশোনার পরিবেশ ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতি নিয়ে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রমের পরিবর্তে অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টিকটক ব্যবহারের পেছনেই বেশি সময় ব্যয় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে কাগজে কলমে ২১ জন শিক্ষক থাকলেও বর্তমানে ৮ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তবে শিক্ষক সংখ্যার তুলনায় শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে ছাফদার আলী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডিএম সহিদুর রহমান দায় স্বীকার করে জানান, তিনি মাত্র দুই মাস আগে এখানে যোগদান করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর চারজন অংশ নিয়েছিল, যার মধ্যে লাবণ্য নামের একজন ছাত্রী পাস করেছে। তবে ওই শিক্ষার্থীর জিপিএ কত, তা জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি নিজেকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক হিসেবেও পরিচয় দিয়েছেন।

কলেজের এই শোচনীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার হায়দার। তিনি মন্তব্য করেন যে, শুধুমাত্র কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বসে থাকলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন অধ্যক্ষ পরিবর্তন করা হয়েছে, তবুও শিক্ষার মান উন্নত হয়নি। শিক্ষার্থী সংকট ও এমন দুর্বল ফলাফলের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, বর্তমানে ওই প্রতিষ্ঠানটি যেভাবে চলছে, তার চেয়ে না থাকাই বরং শ্রেয় ছিল।

এই বিভাগের আরো খবর