1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ইউপি ফাঁকা, সেবা চলছে চেয়ারম্যানের বাসা থেকে - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী একদিনে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে কী আছে ভারত থেকে পাইপলাইনে ৫ হাজার টন ডিজেল এলো পার্বতীপুরে রাণীশংকৈলে ইউএনও পরিচয়ে মুক্তিযোদ্ধার ৪২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র হরমুজ প্রণালী নিয়ে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতে পারবে না ইরান: ট্রাম্প ফের অশান্ত হরমুজ়! ভারতের তেলবাহী ট্যাঙ্কারে গুলি ইরানের নৌসেনার! প্রণালী পেরোতে গিয়ে ‘বাধা’ শীর্ষ ১০ ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ প্রভাবশালীর তালিকা প্রকাশ করল ইসরায়েল চার দশক পর কুড়িগ্রামের ডাকনীরপাটে গরুর মাংস বিক্রি অবসরের ইঙ্গিত মির্জা ফখরুলের

ইউপি ফাঁকা, সেবা চলছে চেয়ারম্যানের বাসা থেকে

মোবাশ্বের নেছারী ,কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৩৩ পিএম
শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যত অচল। সরকারি বিধি ও শৃঙ্খলা উপেক্ষা করে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত বাসা থেকেই চলছে জন্মনিবন্ধনসহ গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সেবা, যা সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাদেকুল ইসলাম মণ্ডল নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থেকে চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের থানাহাট ইউনিয়নের বাসা থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ফলে চিলমারীর বাসিন্দাদের নদী পার হয়ে সেখানে যেতে হচ্ছে—সময়, অর্থ ও ঝুঁকির একত্রিত চাপের মধ্যে।

সেবা পাওয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ। সরকারি ফি যেখানে ৫০ টাকা, সেখানে নেওয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। ভুক্তভোগীরা বলছেন, টাকা না দিলে কাজই হয় না।

ঢুষমারা গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, “সরকারি ফি ৫০ টাকা হলেও আমাকে ১৫০ টাকা দিতে হয়েছে। না দিলে কাজ বন্ধ।” দিনমজুর আসাদুল ইসলাম যোগ করেন, “নদী পার হয়ে যেতে হয়, একদিনের রোজগারও নষ্ট। তার ওপর বাড়তি টাকা—আমাদের জন্য এটা অন্যায়।”

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন বৃদ্ধ, নারী ও শিক্ষার্থীরা। নৌপথের ঝুঁকি, অতিরিক্ত খরচ এবং সময়ের চাপের কারণে নাগরিক সেবা তাদের জন্য প্রায় অপ্রাপ্য হয়ে উঠেছে।

চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া দেননি। প্রায় আধাঘণ্টা পর তিনি নিজেই কল দিলে অভিযোগ শিকার করে বলেন, চরে নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে জনস্বার্থে সপ্তাহের বেশিরভাগ সময় নিজ বাসায় দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করা হয়। কিংবা অস্বীকার না করেই ফোনটি কেটে দেন।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম মণ্ডল জানান, “নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে থানাহাটে চেয়ারম্যানের বাসায় বসে কাজ করি, মাঝে মাঝে অফিসেও যাই।” অতিরিক্ত ফি নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “কেউ খুশি হয়ে বেশি দিলে নিই।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক বলেন, “নির্ধারিত কার্যালয়ের বাইরে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ অবৈধ। অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জন্মনিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পেলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপও নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *