
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার একটি এগ্রো ফার্মে এবার কোরবানির পশুর হাটে যোগ করছে ভিন্ন এক আকর্ষণ, বিশাল আকৃতির উট ‘সুলতান’।
প্রায় দুই মাস আগে রাজস্থান থেকে আনা এই উটটি খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদের উদ্যোগে বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই সংযোজন ইতোমধ্যেই কুমিল্লাজুড়ে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক কৌতূহল।
উট “সুলতান”কে এক নজর দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছে মানুষ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে উৎসাহ,উদ্দীপনা ও আগ্রহ।
উটের দেখভালকারী শ্রমিকরা জানায়, গরুর তুলনায় উট পালন করা অনেকটা সহজ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উট সাধারণত গরুর মতোই খাবার খায় এবং এর পরিচর্যা করতে কষ্ট কম হয়।
খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ বলেন, ভিন্ন কিছু করার চিন্তা থেকেই রাজস্থান থেকে উটটি আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে উট পালন দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে সপ বিশ্বাস করে।
স্থানীয়দের মতে, কুমিল্লার পশুর হাটে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আগে খুব কমই দেখা গেছে। ফলে ‘সুলতান’ এখন হাটের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।