1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
চাহিদার ২০ শতাংশ তেলও পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশনগুলো! - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দেশে আসছে পেপ্যাল, ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার পাবেন পরিচয়পত্র : প্রধানমন্ত্রী নৌ অবরোধ তুলে নিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব হবে না: ট্রাম্প অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত ইরানের শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিলেন স্ত্রী ‎ক্লাস পরিক্ষা বন্ধ করে শিক্ষকদের আন্দোলন,ক্ষোভ ও হতাশায় ববির শিক্ষার্থীরা হিলিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় শিশুর মৃত্যু চলমান আন্দোলন নিয়ে ববি শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ, স্বাক্ষর ব্যবহার নিয়ে নিজস্ব ফেসবুক গ্রুপে প্রতিবাদ

চাহিদার ২০ শতাংশ তেলও পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশনগুলো!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬ ১০:৫৩ পিএম
শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তেল নিতে ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। কোথাও কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্যও আসছে। আবার পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করছেন ডিলার ও পাম্প মালিকরা।

বর্তমানে প্রয়োজনীয় চাহিদার ২০ শতাংশ তেলও পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন পাম্প মালিকরা। তারা জানান, বিদ্যমান চাহিদা অনুযায়ী তারা ডিপো থেকে তেল পাচ্ছেন না। এজন্য অনেক ফিলিং স্টেশন একবেলার বেশি চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আবার অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা নিরাপত্তা সংকটে ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।

রোববার (৮ মার্চ) রাতে বেশ কয়েজন পেট্রোল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) মালিক এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ডিপো থেকে তেল পেলে কি আর পাম্প বন্ধ রাখতে হয়! এখন তেল নিলেই সঙ্গে সঙ্গে ডিসি অফিস থেকে শুরু করে সব জায়গায় রিপোর্ট করে দিচ্ছে। যেসব পাম্প তেল পাচ্ছে না তারা পাম্প বন্ধ রাখছে। আমরা যা পাচ্ছি তাই দিচ্ছি। ডিপোতে আমাদের ৪টা বা ৫টা গাড়ি গেলে একটা গাড়িতে তেল পাচ্ছি। ক্ষেত্রবিশেষে তার থেকেও কম পাচ্ছি। আমরা হয়তো এভাবে চালাতে পারবো না, পাম্প বন্ধ করে দিতে হবে। একশ লোককে নিয়ন্ত্রণের জনবল দিয়ে যদি এক হাজার লোককে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, কর্মচারীরা পারবে না। ইফতার-সেহরি খাওয়ারও সময় পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, পাম্পের কর্মচারীদের নিরাপত্তা সংকট আছে। আজই আসাদগেটে একজনকে পিস্তল বের করে মারতে গেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেওয়ার কথা ১০ লিটার, তাকে ২০ লিটার দিতে হবে।

ফিলিং স্টেশনে পুলিশ মোতায়েনের বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, দুই-চারজন পুলিশ দিয়ে সম্ভব না। হাজার হাজার লোককে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, আমাদের চাহিদার ২০ শতাংশ তেল পাচ্ছি। চারটা গাড়ি পাঠালে ডিপো থেকে দেয় এক গাড়ি। সরকার বলছে সংকট নেই, তাহলে তেল কেন পাচ্ছেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব কথার আর গুরুত্ব নেই। আপনারা যাচাই করে দেখেন। এটা সত্য না মিথ্যা আপনারা যাচাই করে দেখেন। মাঠ পর্যায়ে তেল দিচ্ছে না, সাপ্লাই নেই। কোম্পানিগুলো বলছে- আমরা না পেলে আপনাদের দেবো কোথা থেকে!

মোহাম্মদ নাজমুল হক আরও বলেন, তেলে সমস্যা আছে, না হলে এরকম হবে কেন! গত কয়েক বছরে এই পরিস্থিতি হয়নি। পাম্পে এসে লোকজন গন্ডগোল করে, আমাদেরও লাইফ রিস্ক আছে। আমাদের লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে, তাদের মারধর করতে যায়। আমাদের তেল না থাকলে বিক্রি করবো কীভাবে?

তিনি বলেন, বেশি দামে তেল বিক্রি করার সুযোগ নেই। তেলের দাম ও সরবরাহ- সবকিছু সরকার নিয়ন্ত্রণ করে।

এদিকে, দেশের সব ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশি টহল জোরদারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। গতকাল শনিবার বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানের সই করা এক চিঠিতে এই অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিটি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হয়। ফলে ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল গ্রহণের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে ডিলাররা বিগত সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

তাছাড়া কিছু কিছু ভোক্তা ডিলার/ফিলিং স্টেশন থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে খবর প্রকাশ হচ্ছে। ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সীমিত করে বিপিসি থেকে একটি প্রেস রিলিজ জারি করা হয়েছে।চিঠিতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান সংকটকালে দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের ক্রেতাদের সঙ্গে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটছে। এ অবস্থায় দেশের ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে পুলিশি টহল জোরদার করা প্রয়োজন।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *