1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ডিএমপির ১৩ নির্দেশনা বড়দিন উপলক্ষে - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভোলায় পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে মসজিদ ও মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ চরফ্যাশনে বেড়িবাঁধ কেটে চেয়ারম্যানবাজার এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে, নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, শতাধিক ভারতীয়সহ নিখোঁজ ৫০০ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার স্বামী প্রবাসে, পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করলেন চার সন্তানের মা! সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করবে ১১ দলীয় ঐক্য ২৩ বছর পর দেখা দিলেন হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া সেই অভিনেত্রী ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস হামের উপসর্গে আরো ৭ প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৯৫০ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বৃহস্পতিবার, একাধিক বিল উত্থাপনের সম্ভাবনা

ডিএমপির ১৩ নির্দেশনা বড়দিন উপলক্ষে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১:০৬ পিএম
শেয়ার করুন

শুভ বড়দিন উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এরইমধ্যে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ উৎসব ঘিরে সুসংহত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি গীর্জায় স্থায়ীভাবে পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি পুলিশী টহল বৃদ্ধিসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন ও গোয়েন্দা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।  

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বার্তায় কিছু নিরাপত্তা নির্দেশনা দিয়ে এ কথা জানানো হয়। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১. প্রতিটি গীর্জায় রাত্রিকালীন ভিডিও ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা।

২. প্রতিটি গীর্জার জন্য নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আলাদা পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র ও আর্মডব্যান্ড নির্ধারণ করে দেয়া। স্বেচ্ছাসেবকদের নামের তালিকা স্থানীয় থানায় প্রেরণ করা ও থানার অফিসারের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের ব্রিফিং করার ব্যবস্থা করা।

৩. গীর্জায় দর্শনার্থীদের ব্যাগ/পোটলা ইত্যাদি নিয়ে প্রবেশ না করার জন্য অনুরোধ করা। তাছাড়া গীর্জা এলাকায় সন্দেহজনক কোন ব্যাগ/পোটলা পরে থাকতে দেখলে বা দৃষ্টিগোচর হলে নিয়োজিত আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা।

৪. আর্চওয়ে গেট স্থাপন এবং মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করে তল্লাশীর ব্যবস্থা করা।

৫. প্রতিটি গীর্জায় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপন এবং অগ্নি দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৬. আলোক সজ্জার কাজে গুণগতমান সম্পন্ন বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করা।

৭. আনন্দ উৎসবে মাদকের ব্যবহার, ফানুস উড়ানো ও আতশবাজি করা থেকে বিরত থাকা।

৮. প্রতিটি গীর্জা ও অনুষ্ঠান এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা এবং বিকল্প আলোর (জেনারেটর) ব্যবস্থা রাখা।

৯. প্রতিটি গীর্জার জন্য পরিদর্শন রেজিস্টার প্রস্তুত এবং রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা।

১০. আবাসিক এলাকায় বাড়ীর ছাদ, রেস্টুরেন্ট ও হোটেলে ডিজে পার্টি এবং উচ্চ শব্দে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা।

১১. ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা। ব্যক্তিগত পর্যায়ে উৎসব উদযাপনের ক্ষেত্রে প্রতিবেশীর যাতে কোন অসুবিধা না হয় সে বিষয়ে সচেতন থাকা।

১২. স্থানীয় কাউন্সিলর, গণমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা এবং তাদের নাম ও মোবাইল নম্বর সম্বলিত ব্যানার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।

১৩. কোন দুর্ঘটনা বা অপরাধ সংঘটনের আশঙ্কা তৈরি হলে অতি দ্রুত পুলিশকে জানানো এবং জরুরি প্রয়োজনে গীর্জা কমিটি কর্তৃক সংশ্লিষ্ট থানার ফোকাল পয়েন্ট অথবা ৯৯৯ এর সেবা গ্রহণ করা অথবা ম্যাসেজ টু কমিশনার (M2C) এর জরুরী নাম্বার ০১৩২০-২০২০২০ ও ০১৩২০-১০১০১০ এসএমএস করা।

এই বিভাগের আরো খবর