1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
তবে কি কিলিং মিশনের নেক্সট টার্গেট রাকসু জিএস আম্মার? - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দেশে আসছে পেপ্যাল, ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার পাবেন পরিচয়পত্র : প্রধানমন্ত্রী নৌ অবরোধ তুলে নিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব হবে না: ট্রাম্প অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত ইরানের শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিলেন স্ত্রী ‎ক্লাস পরিক্ষা বন্ধ করে শিক্ষকদের আন্দোলন,ক্ষোভ ও হতাশায় ববির শিক্ষার্থীরা হিলিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় শিশুর মৃত্যু চলমান আন্দোলন নিয়ে ববি শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ, স্বাক্ষর ব্যবহার নিয়ে নিজস্ব ফেসবুক গ্রুপে প্রতিবাদ

তবে কি কিলিং মিশনের নেক্সট টার্গেট রাকসু জিএস আম্মার?

মো. বিপ্লব উদ্দীন
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৯:১০ পিএম
শেয়ার করুন

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে বিপ্লবীদের নানাভাবে হুমকি এবং প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে দুষ্কৃতকারিরা ততবেশি সরব হচ্ছে। ১১ নভেম্বর এক আওয়ামীলীগারের একটি ফেসবুক পোস্টে জুলাই বিপ্লবীদের কিছু মানুষকে যেন তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়া হয় বলে উস্কানি প্রদান করা হয়। ওই পোস্টে ওসমান হাদির পর সালাহউদ্দিন আম্মারের নাম উল্লেখ ছিল। ইতিমধ্যে হাদির উপর ভয়াবহ হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কি কিলিং মিশনের নেক্সট টার্গেট জুলাইয়ের অন্যতম যোদ্ধা ও রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার?

এদিকে দেশি-বিদেশি নানা জায়গা থেকে নানা মাধ্যমে অনবরত হত্যার হুমকি পাচ্ছেন আম্মার। ফলে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন তিনি। এর আগেও জুলাইয়ে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার এবং সাবেক রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ১০ কোটি টাকা দিয়ে সার্ফ স্যুটার আনেন বলে জানা যায়।

শত-শত হুমকি পাচ্ছেন নিশ্চিত করে আমার দেশকে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, “প্রতিদিন হত্যার হুমকি দিয়ে শতশত ম্যাসেজ, শতশত কল পাচ্ছি। ম্যাসেজ দিয়ে আব্বু আম্মুর ছবি পাঠায়। এতে আমি চরম নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছি কিন্তু আমি বিন্দু পরিমান ভীত নয়। এখনো আমার নাম্বারটাও পরিবর্তন করিনাই। শতশত হুমকির মাঝে হাজার হাজার মানুষ যে আমাকে নিয়ে শঙ্কিত এটাই আমার জীবনের পাওয়া”।

রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে লড়াই জারি থাকবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, “আমরা লড়ব ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে। আমরা লড়ব ইনসাফের পক্ষে। আমরা লড়ব, না হয় মরব, পিছনে ফেরার বিন্দুমাত্র সুযোগ নাই। আমি এভাবেই নিজের জীবন পার করব যতদিন বাঁচব। আমাদের লড়াই জারি থাকবে, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমার সদা জাগ্রত। আল্লাহর জান আল্লাহ নিবে আজ হোক বা কাল। আমি আমার জীবন নিয়ে বিন্দুমাত্র ভীত নই। আমার কিছু হলে আব্বু আম্মুকে দেখে রাখবেন আপনারা। হাদি ভাইয়ের তো ১০মাসের সন্তান আর আমার দুটি বৃদ্ধ সন্তান আমি রেখে যাব”।

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাদুলা-হিল-গালিব গতকাল ফেসবুকে লিখেন, “দয়া করে আমার ক্যাম্পাসের টাকে (সালাহউদ্দিন আম্মারকে) কেউ কিছু করবেন না, অনুরোধ রইলো। ওইটা শুধু আমার আর আমার ভাই মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর (রাবি শাখা সভাপতি) ভাগ। ছোটভাই প্রটেকশন বাড়াও। ৮০সিসি বাইক নিয়ে একা একা ঘুরাঘুরি করো না। আর তোমার আব্বার সাদিক কায়েম হেলিকপ্টারে যাতায়াত করে তুমি অন্তত প্লেনে ঢাকা যাবা তা নাহলে যমুনার আগে ও পরে একটা কিছু হলেও হতে পারে। আমি চাই তুমি বেঁচে থাকো, অনেক হিসাব আছে”।

ড্যাল্টন সৌভত হীরা নামক ফেসবুক আইডির ৯ নভেম্বর দেওয়া উস্কানিমূলক ওই পোস্টে লেখা হয়, “১৩ তারিখের মধ্যে কিছু মানুষের পাওনাটুকু যেন বুঝিয়ে দেয়া হয় যদি তারা সাহস করে বের হয়– হাদি একজন, সালাহউদ্দিন আম্মার একটা, এনসিপির টোকাইগুলো কয়েকটা, ৩২ ভাঙার যাবতীয় উস্কানি দেয়া হাসান রোবায়েত, হুজাইফা, মাহদূহ, হিযু বাহিনীর একেকটা”।

ফ্যসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবীদের নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরী উল্লেখ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক বলেন, বিপ্লব পরবর্তী সময়ে বিপ্লবীরা নানাভাবে হুমকি ও আক্রমণের শিকার হচ্ছে। তাদের নিরাপত্তা জোরদার করতে সরকারের জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী। নতুবা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো ভেঙে পড়বে এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উপর এর প্রভাব পড়তে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *