
নোয়াখালী–২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) সংসদীয় আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী ছাড়াও দুইজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় দলটির অভ্যন্তরে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তবে তাঁর পাশাপাশি বিএনপির আরও দুই নেতা—কাজী মফিজুর রহমান ও আবুল কালাম আজাদ—স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন।স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি এর আগে সেনবাগ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় রাজনীতিতে তাঁর রয়েছে দীর্ঘদিনের সক্রিয় ভূমিকা।অন্যদিকে, আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি এবং সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি ও একজন পরিচিত মুখ।এদিকে, বিএনপির দলীয় প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক এর আগে পাঁচবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।দলীয় প্রার্থীর পাশস্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় নোয়াখালী–২ আসনে বিএনপির ভোটব্যাংকে প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও আলোচনা ও কৌতূহল বাড়ছে।
Leave a Reply