1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
দুই মাসেও জামিন মেলেনি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী একদিনে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে কী আছে ভারত থেকে পাইপলাইনে ৫ হাজার টন ডিজেল এলো পার্বতীপুরে রাণীশংকৈলে ইউএনও পরিচয়ে মুক্তিযোদ্ধার ৪২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র হরমুজ প্রণালী নিয়ে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতে পারবে না ইরান: ট্রাম্প ফের অশান্ত হরমুজ়! ভারতের তেলবাহী ট্যাঙ্কারে গুলি ইরানের নৌসেনার! প্রণালী পেরোতে গিয়ে ‘বাধা’ শীর্ষ ১০ ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ প্রভাবশালীর তালিকা প্রকাশ করল ইসরায়েল চার দশক পর কুড়িগ্রামের ডাকনীরপাটে গরুর মাংস বিক্রি অবসরের ইঙ্গিত মির্জা ফখরুলের

দুই মাসেও জামিন মেলেনি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১:১৭ পিএম
শেয়ার করুন

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি আটক করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে মামলা ঠুকেন এক ব্যক্তি।

এরপর দুই মাসে কয়েক দফা চেষ্টা করেও তার জামিন মেলেনি। মাঝে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

আনিস আলমগীরের স্ত্রী শাহনাজ চৌধুরীর দাবি, স্বাধীন মত প্রকাশের কারণেই জেলের ঘানি টানতে হচ্ছে তার স্বামীকে।

“অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দাবি করেছিলেন, স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাহলে আনিস আলমগীরকে কেন গ্রেপ্তার করা হলো? তাকে তো স্বাধীন মত প্রকাশের কারণেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আনিস আলমগীর কি টেরোরিস্ট, না উনি কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন? এমন কী হয়ে গেছে- তাকে ডেকে নিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে।”

গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গত ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

এরপর মধ্যরাতে ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ আনিস আলমগীরসহ চারজনের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র এবং নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার’ অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।অপর আসামিরা হলেন—অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, মারিয়া কিসপট্টা (ফ্যাশন মডেল) ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ (উপস্থাপক)।

এ মামলায় আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই আটক রয়েছেন।

শাহনাজ চৌধুরী বলেন, “সন্ত্রাসবিরোধী আইনে যে মামলা দেওয়া হয়েছে, ওই মামলায় উনি তো একা আসামি একা নন। আরও কয়েকজন আসামি আছে। তারা তো ঘুরছে-ফিরছে।

“আর আনিস আলমগীরকে কারাগারে থাকতে হচ্ছে। স্বাধীন মত প্রকাশের কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

এদিকে গত ১৫ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক।

গত ২৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ২৮ জানুয়ারি রাখেন। পরে ওইদিন তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ মামলার বিষয়ে শাহনাজ চৌধুরী বলেন, “সরকারের কাছ থেকে সাংবাদিক কোটায় একটা জায়গা পেয়েছিলেন। ওটা বিক্রি করে কিছু টাকা পেয়েছেন। এ কারণে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। এটাও মিথ্যা মামলা।”

আনিস আলমগীরের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বলেন, “আমরা দেখেছি, সরকার বা রাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে। আর আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে একজন ব্যক্তি। আর যে সেকশনে মামলা দেওয়া হয়েছে তা তার সাথে যায় না।

“কারণ তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের সাথে কোনোভাবে জড়িত নন। উনাদের মন চেয়েছে, মামলা দিয়েছে, গ্রেপ্তার করেছে। আমরা জামিন চেয়েছি, জামিন পায়নি। উচ্চ আদালতে গিয়েছি। আশা করছি, জামিন পাবেন তিনি।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সরকার তাকে জামিন দিচ্ছে না। এ কারণে তিনি জামিন পাচ্ছেন না।”

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বিষয়ে আনিস আলমগীরের আইনজীবী নাজনীন নাহার বলেন, “আমরা নিম্ন আদালতে তার জামিন আবেদন করেছিলাম; কিন্তু জামিন হয়নি। উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেছি। আজ শুনানি হবে। আশা করছি, তিনি জামিন পাবেন।”

দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করা আনিসুর রহমান আলমগীর— আনিস আলমগীর নামেই বহুল পরিচতি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আনিস আলমগীর সমসাময়িক রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টেলিভিশন টকশোতে নিজের বক্তব্যের কারণে আলোচনা-সমালোচনায় ছিলেন। ফেইসবুকে দেওয়া তার বিভিন্ন পোস্ট নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা ছিল ওই সময়।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *