1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ধর্মের নামে বিভাজনের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সেউতায় অনুপ্রবেশের চেষ্টায় নিহত ১৯, সেনা মোতায়েনের ঘোষণা স্পেনের ধর্মের নামে বিভাজনের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল ফেসবুকে প্রেম, ধর্মান্তরিত হয়ে চীনের ওয়্যাং বিয়ে করলেন বাংলাদেশী লিজাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর সাদেকা হালিমসহ ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল ৩ অটোরিকশা, নিহত ২ কুড়িগ্রামে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ঘিরে কিশোর-কিশোরীদের ফুটবল উৎসব আমিরাতে ভিসা বাতিল নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মধ্যনগর সীমান্তে বাঙ্গালভিটায় বিজিবির অভিযানে, ২৮ ভারতীয় গরু ও ১ টি স্টিলবডি নৌকা আটক ফুলবাড়ী সীমান্তে ২৯ বিজিবির অভিযানে নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ

ধর্মের নামে বিভাজনের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬ ৭:৫৩ পিএম
শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ এ দেশের সমান অধিকার ও মর্যাদার নাগরিক। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।”

মির্জা ফখরুল বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল সব মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। সেই চেতনা ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় পরিচয়ের পরিবর্তে নাগরিক পরিচয়ই রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। সরকার একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।

সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সব ধর্মাবলম্বীর জানমাল ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, যাতে কোনো দুর্বৃত্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে।

সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণের পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগের ইতিহাসও স্মরণ রাখতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সমঅধিকারের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর