1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
নওগাঁয় ক্লু-লেস মার্ডার মামলার রহস্য উদঘাটন চার আসামী গ্রেফতার - আজকের কাগজ
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আমরাই যেচে সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সংসদে স্পিকার এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প হঠাৎ কমলো স্বর্ণের দাম বার কাউন্সিলে নির্বাচন করতে হাইকোর্টে রিট ব্যারিস্টার সুমনের দুই মাসে ‘ট্র্যাপে ফেলে’ মিরপুরে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তার নাগরিকদের ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি ‘লো-ফিডে’ চালু, সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে না: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

নওগাঁয় ক্লু-লেস মার্ডার মামলার রহস্য উদঘাটন চার আসামী গ্রেফতার

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬ ১১:২১ পিএম
শেয়ার করুন

নওগাঁয় মিতু বানু নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে লাশ উদ্ধারের দীর্ঘ দেড় মাস পর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত চার ঘাতককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
১০ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়,গত ২৬ জানুয়ারি সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মিতু বানুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জানা যায়, মাত্র ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে মিতুকে নওগাঁ শহর থেকে ওই গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে অসামাজিক কাজে বাধা দেয়া এবং টাকার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে আসামিরা মিতুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং রেন্টুর পরামর্শে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে লাশটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় তারা। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড ছিল। তবে পুলিশে তদন্ত দল তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সামিদুল ইতোমধ্যেই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ আরও জানায়, মিতুকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে লাশ গুম করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এই চারজন সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। দেড় মাস ধরে তারা আত্মগোপনে থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *