1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চরফ্যাশন মাছ বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রি! প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা - আজকের কাগজ
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চরফ্যাশন মাছ বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রি! প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ৭:৫২ পিএম
শেয়ার করুন

মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চললেও ভোলার চরফ্যাশন মাছ বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ককশিটের বাক্সে ইলিশ মজুত রেখে ক্রেতাদের ডেকে ডেকে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা দরে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে এমন প্রকাশ্য বিক্রির ঘটনায় বাজার তদারকি ও আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) চরফ্যাশন মাছ বাজারে ইলিশ বিক্রির এমন চিত্র দেখা যায়। ককশিটের বাক্সে ইলিশ রেখে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে হাঁকডাক দিয়ে মাছ বিক্রি করতে দেখা যায় ব্যবসায়ীদের। অথচ মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে।

নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, এ সময়ে ইলিশ আহরণ, মজুত, পরিবহন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ বিধিনিষেধের মূল উদ্দেশ্য মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করা এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। তবে চরফ্যাশন মাছ বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রির ঘটনায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, “সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ইলিশ আহরণ, মজুত, পরিবহন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চরফ্যাশন মাছ বাজারে ইলিশ বিক্রির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। এ বিষয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, “মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কেউ জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

বন ও পরিবেশ,জলাশয় নদী ও খালের জীব বৈচিত্র রক্ষাকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ ফ্রেশার জেনারেশনের প্রতিষ্ঠাতা তৌকিদ সাব্বির বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে নদীতে মাছ ধরা বন্ধের পাশাপাশি বাজারে অবৈধভাবে ইলিশ মজুত ও বিক্রি বন্ধেও নিয়মিত নজরদারি জরুরি। তাই চরফ্যাশন মাছ বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এখন দেখার বিষয়, মৎস্য প্রশাসনের ঘোষিত অভিযান কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশ বিক্রি বন্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

এই বিভাগের আরো খবর