1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
পায়ে দড়ি বেঁধেও থামানো যায় না সুরাইয়ার ছুটে চলা, অসহায় নানি চান একটু সহায়তা - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

পায়ে দড়ি বেঁধেও থামানো যায় না সুরাইয়ার ছুটে চলা, অসহায় নানি চান একটু সহায়তা

শেরপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৮:২২ পিএম
শেয়ার করুন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পুড়াগাঁও ইউনিয়নের সমশ্চুড়া গ্রামের মৃত সমর আলীর মেয়ে আমেনা খাতুন। তিনি সমশ্চুড়া গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা।
সুরাইয়ার বাবা সুজন মিয়া ও মা হাসিনা ঢাকায় থাকেন। সুজন মিয়া সেখানে শ্রমিকের কাজ করেন। তিনিও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে নিয়মিত কাজে যেতে পারেন না। সামান্য যে আয় হয়, তা দিয়ে নিজেদের সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে মেয়ের চিকিৎসার খরচ বহন করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব।

এদিকে নাতনির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে আমেনা খাতুনের। সুরাইয়াকে নিয়ে কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই তার। নাতনিকে একা রেখে কাজে গেলে কখন কী ঘটে যায়—এই ভয়েই তাকে সবসময় আগলে রাখতে হয়। ফলে একদিকে নাতনির চিকিৎসা, অন্যদিকে দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা—সব মিলিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েছেন তিনি।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, চিকিৎসকেরা বলেছেন, নিয়মিত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেলে সুরাইয়া সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই চিকিৎসাও করাতে পারছেন না তার নানি। চোখের সামনে নাতনির কষ্ট দেখেও কিছু করতে না পারার যন্ত্রণা যেন আরও ভারী হয়ে উঠেছে আমেনা খাতুনের জীবনে।

সুরাইয়ার বয়স মাত্র আট বছর। অথচ এই বয়সেই স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক দূরে সে। মানসিক ভারসাম্যহীন সুরাইয়া আক্তার সারাক্ষণ ছুটে বেড়ায়। তাকে এক মুহূর্তের জন্যও একা রেখে কোথাও যেতে পারেন না তার নানি আমেনা খাতুন। বাধ্য হয়ে কখনো কখনো নাতনির পায়ে দড়ি বেঁধে রাখতে হয়। কিন্তু দড়ি বাঁধা অবস্থাতেও ছোট্ট সুরাইয়ার ছুটে চলা থামে না।
নাতনিকে সামলাতে গিয়ে নিজের জীবনটাই যেন থমকে গেছে আমেনা খাতুনের। একসময় শ্রমিকের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাতেন তিনি। এখন নাতনির দেখাশোনার জন্য সেই কাজেও যেতে পারেন না। ফলে ঘরে খাবার জোটে না প্রতিদিন। কখনো অনাহারে, কখনো অর্ধাহারে কাটছে তাদের দিন। বেঁচে থাকার তাগিদে অন্যের দ্বারে দ্বারে হাত পাততে হচ্ছে অসহায় এই বৃদ্ধা নানিকে।

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে আমেনা খাতুনের আকুতি ‘আমি গরিব মানুষ। নাতনিটাকে চিকিৎসা করাতে চাই। ও যেন অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারে। কিন্তু আমার হাতে কোনো টাকা নেই। সবাই যদি একটু সাহায্য করেন, তাহলে হয়তো আমার নাতনিটা ভালো হয়ে উঠবে।’

সুরাইয়ার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন ও সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন আমেনা খাতুন।
সহায়তা করতে যোগাযোগ:
আমেনা খাতুন — ০১৮২০-৫১৮৬৬০

এই বিভাগের আরো খবর