1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ববিতে এক বিভাগের চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষনা করে অফিসে তালা - আজকের কাগজ
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
৮ শ্রেণির মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের তথ্য চেয়েছে সরকার কটিয়াদীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত ও চারজন আহত ৭ হাজার টাকা কমেছে, যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ দিল্লিতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টদের সেমিনারের চেষ্টা, মিলল না অনুমতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর অভিনয়ে আর ফিরবেন না পপি ছিনতাইয়ের কবলে শিক্ষিকা নিহত : গ্রেপ্তার দুই আসামিকে নিয়ে যা জানাল র‍্যাব মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুদামের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার কাজ করছে: খাদ্যমন্ত্রী

ববিতে এক বিভাগের চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষনা করে অফিসে তালা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ৫:৫৮ পিএম
শেয়ার করুন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে তার অপসারণের দাবি তুলে চেয়ারম্যান এর কক্ষ ও বিভাগটির সেকশন অফিসে তালা মেরেছে বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

‎রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় শিক্ষার্থীরা অপসারণের দাবিতে চেয়ারম্যানের কক্ষ, শ্রেণিকক্ষ ও অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরবর্তীতে তারা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান নেন এবং চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবি জানান। উপাচার্য কার্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রক্টরের মাধ্যমে ফোনে কথা বলেন এবং বিষয়টি সুরাহার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় চেয়ে নেন।

‎শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র সেশনজট ও সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা চলছে। সেশনজট নিরসনে চেয়ারম্যান পূর্বে লিখিত আশ্বাস দিলেও তার সদিচ্ছার অভাবে কোনো সমাধান হয়নি। প্রতি বছর ১২০০ টাকা করে উন্নয়ন ফি নেওয়া হলেও বিগত ১০ বছরে শ্রেণিকক্ষে একটি পর্দা লাগানো ছাড়া দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষা কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্ব এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে উদাসীনতার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

‎আন্দোলনরত শিক্ষার্থী কাজী মনোয়ার বলেন, “এর আগেও সেশনজট কাটানোর লিখিত আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। আজ প্রক্টরের মাধ্যমে উপাচার্য স্যারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। তবে আমাদের মূল দাবি—চেয়ারম্যান স্যারকে বিভাগ থেকে অপসারণ করতে হবে।”

‎ আরেক শিক্ষার্থী তাহসিন বলেন, “বহুবার যোগাযোগ করেও আমরা কোনো ফলপ্রসূ সমাধান পাইনি। আমাদের একটাই দাবি, তিনি সসম্মানে বিভাগ থেকে সরে দাঁড়ান। এমনকি আমাদের প্রভাষকরা আন্তরিক হওয়া সত্ত্বেও এই প্রশাসনিক স্থবিরতার কারণে নিরুপায় হয়ে আছেন।”

‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহদী হাসান সোহাগ জানান, “শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

‎বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক সকল অভিযোগের বিষয়ে বলেন, মূলত শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সংকটের কারণেই এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের এমন চরম পন্থা অবলম্বন না করার আহ্বান জানান।

এই বিভাগের আরো খবর