1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩.৩ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক - আজকের কাগজ
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে লুলার সামনে যে ৫ বড় চ্যালেঞ্জ জনবল নিয়োগ দিয়ে মেহেরপুর পানি শোধনাগার দ্রুত চালুর আহ্বান ৩ কোটি ইরানির অস্ত্র প্রশিক্ষণের দাবি সরকারের, তথ্য নিয়ে সংশয় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী লুলা দ্য সিলভা জাপানে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাস্টিন ট্রুডোর প্রেমে কেটি পেরির নতুন জীবন শুরু, বিচ্ছেদের পর শাদাবের হার না মানা সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের নাটকীয় জয় ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের জন্য করণীয় রাজউকের ১০৭৪ প্লট বরাদ্দ স্থগিত, তদন্তে সংসদীয় কমিটি

বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩.৩ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫ ৪:৪৮ পিএম
শেয়ার করুন

চলতি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদন ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট: ট্যাক্সিং টাইমস’-এ এই পূর্বভাস দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও আর্থিক চাপে এই প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেতে পারে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিও দুর্বল হতে পারে।

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়লে তা ৪ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে, যা পূর্ববর্তী পূর্বাভাসের তুলনায় কম, বলেছে বিশ্বব্যাংক।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসবে, যা গত অক্টোবরে করা পূর্বাভাসের চেয়ে ০ দশমিক ৪ শতাংশ কম। আগামী বছরে এটি ৬ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। কারণ, এ অঞ্চলে কর আদায়ের হার উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় তুলনামূলক বেশি হলেও প্রকৃত কর আদায়ের হার অনেক কম।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ ফ্রানজিস্কা ওন্সর্জ বলেন, নিম্ন রাজস্বই দক্ষিণ এশিয়ার আর্থিক দুর্বলতার মূল কারণ। এটি বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

অঞ্চলের অন্যান্য দেশের প্রবৃদ্ধি নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসবে, নেপালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তা দাঁড়াবে ৪ দশমিক ৫ শতাংশে। পাকিস্তানে প্রবৃদ্ধি হবে ২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

এই বিভাগের আরো খবর