1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
বিশ্ব কোন দিকে যাবে? অধ্যাপক জিয়াংয়ের ৫ ভবিষ্যদ্বাণী - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দেশে আসছে পেপ্যাল, ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার পাবেন পরিচয়পত্র : প্রধানমন্ত্রী নৌ অবরোধ তুলে নিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব হবে না: ট্রাম্প অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত ইরানের শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিলেন স্ত্রী ‎ক্লাস পরিক্ষা বন্ধ করে শিক্ষকদের আন্দোলন,ক্ষোভ ও হতাশায় ববির শিক্ষার্থীরা হিলিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় শিশুর মৃত্যু চলমান আন্দোলন নিয়ে ববি শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ, স্বাক্ষর ব্যবহার নিয়ে নিজস্ব ফেসবুক গ্রুপে প্রতিবাদ

বিশ্ব কোন দিকে যাবে? অধ্যাপক জিয়াংয়ের ৫ ভবিষ্যদ্বাণী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬ ১১:০৬ পিএম
শেয়ার করুন

আগামী পাঁচ থেকে ২০ বছরের মধ্যে পৃথিবীতে কী কী ঘটবে, সে সম্পর্কে পাঁচটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন ইউটিউব চ্যানেল ‘প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রির’ সঞ্চালক অধ্যাপক জুয়েকিন জিয়াং।

তিনি বলেছেন, “আমি ধারণা করি, এসব ঘটনা আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে, কিংবা ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ঘটবে। সময়টা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না, কিন্তু আমি মনে করি এসব ঘটবেই।”

এ বছর ২৯ জানুয়ারি নিজের ফেইসবুক পেইজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে অধ্যাপক জিয়াং বলেন, প্রথম যে বিষয়টি পশ্চিমা বিশ্বে ঘটবে, তা হল গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার অবনতি।

“মনে রাখবেন, সমাজের শুরুতে একটি ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক, উন্মুক্ত এবং মেধাভিত্তিক থাকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আরও আমলাতান্ত্রিক হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত কর্তৃত্ববাদী হয়ে যায়।

“ফলে আমরা দেখব, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ আরও বেশি কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠছে। এসব দেশে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার ভাঙন দেখা যাবে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আমরা এর কিছু লক্ষণ দেখছি, যেখানে ট্রাম্প (প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প) বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় ক্রমেই বেশি করে সামরিক শক্তি ব্যবহার করছেন।”

এই চীনা অধ্যাপক বলেন, “এটাই আমার প্রথম পূর্বাভাস, এবং এটি পুরো পশ্চিমা বিশ্বেই ঘটবে।”

তার দ্বিতীয় ভবিষ্যদ্বাণী হল, অর্থনৈতিক পতন।

এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, “যখন মানুষের কথা বলার অধিকার কমতে থাকে, তখন তারা ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা কম অনুভব করে এবং কাজ করার আগ্রহও কমে যায়। এর ফল হয় অর্থনৈতিক পতন।

“মানুষ তখন আর ওই ব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস রাখে না, এবং শাসন ব্যবস্থা সংকটে পড়ে। এর ফল হিসেবে বাড়বে অভিবাসন। তখন সরকার বলতে পারে—‘মানুষ যদি কাজ করতে না চায়, তাহলে থাক; আমরা কাজ করাতে অভিবাসীদের নিয়ে আসব।’ অর্থাৎ জনসংখ্যা বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

জুয়েকিন জিয়াং বলেন, “মানুষ তা মেনে নিয়ে বসে থাকবে না। এতে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। মানুষ রাস্তায় রাস্তায় একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়বে। তখন সরকার ভাবতে পারে—‘যদি এভাবে চলতে থাকে, শেষ পর্যন্ত তারা আমাদের দিকেই ফিরে আসবে।’ তাই তাদের বিদেশে অর্থহীন যুদ্ধে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে শুরু হবে অর্থহীন বিদেশি যুদ্ধ।”

তিনি বলেন, “আগামী ৫, ১০ বা ২০ বছরের জন্য পৃথিবী সম্পর্কে এটাই আমার পাঁচটি পূর্বাভাস। ইউরোপ ও আমেরিকায় স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র কমে যাবে; অর্থনৈতিক পতন হবে; অভিবাসন বাড়বে; অভ্যন্তরীণ সংঘাত দেখা দেবে; এবং শেষ পর্যন্ত অর্থহীন বিদেশি যুদ্ধ শুরু হবে।

“আমি বলছি না যে এগুলো নির্দিষ্ট ধারাবাহিকতায় ঘটবে। আমি শুধু বলছি—এই পাঁচটি বিষয়ই দেখা যাবে, তবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বা ভিন্ন ক্রমে ঘটতে পারে।”

ভিডিওতে একজন প্রশ্ন করেন, মানুষের মনোযোগ সরিয়ে নিতে সরকার কি কখনও যুদ্ধকে ব্যবহার করতে পারে?

জবাবে অধ্যাপক জিয়াং বলেন, “হ্যাঁ, খুব ভালো প্রশ্ন। আসলে যুদ্ধের একটি কাজই হল মানুষকে বিভ্রান্ত করে রাখা। কারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না করতে পারলে তারা বিদ্রোহ করতে পারে। তাই তাদের যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়, নইলে ফরাসি বিপ্লবের মত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

“তখন বিকল্প থাকে দুটি—যুদ্ধ অথবা বিপ্লব। অনেকের কাছে যুদ্ধই তুলনামূলকভাবে সহজ বিকল্প। এ কারণেই আমরা এমন একটি বিশ্বের দিকে এগোচ্ছি, যেখানে যুদ্ধ বাড়বে।”

তিনি বলেন, “আমি আবারও বলছি—আমি নিশ্চিত নই যে আমি ঠিক। আমি কেবল একটি তত্ত্ব বা মডেল উপস্থাপন করছি, যার মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছু অনুমান করতে পারি। যদি এসব পূর্বাভাস সত্যি হয়, তাহলে বোঝা যাবে আমাদের মডেলের কিছুটা হলেও যথার্থতা আছে। অবশ্যই তখন সেটিকে আরও উন্নত করতে হবে।

“কিন্তু ধরুন, আগামীকাল ট্রাম্প, পুতিন ও শি যদি একসঙ্গে বসে বলেন—‘চলুন আমরা বন্ধু হয়ে যাই।’ তাহলে আমি ভুল প্রমাণিত হব।”

এই বিশ্ব কীভাবে কাজ করে, মানুষ যদি তা বুঝতে পারে, তাহলে একদিন আরও ন্যায়ভিত্তিক একটি বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করেন জুয়েকিন জিয়াং।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *