
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সকালে ঝিলপাড় বস্তি উচ্ছেদে আসেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সদস্যরা। প্রথমে বস্তির দক্ষিণ ভাগে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান।
জানা যায়, সাত একর জায়গায় গড়ে ওঠা বস্তিটিতে বসবাস করেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। আগাম নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ করায় ক্ষোভ জানিয়ে পুনর্বাসনের দাবি জানান তারা
২০০৬ সালে ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতিকে ঝিলপাড়ে সাত একর জমি বরাদ্দ দেয় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। এর তিন বছর পর বেদখল হয়ে যায়।
সমিতির সভাপতি সদরুল হাসান জানান, অনেক বছর ধরেই জায়গা বুঝে পাননি তারা। এখন নতুন সরকারের আমলে জায়গা বুঝে নিচ্ছেন।
সদরুল হাসান বলেন, ‘সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার লোকেরা জায়গাটা দখল করেছে। যতবার ভাঙা হয়েছে, ততবারই তিনি দখল করে নিয়েছেন।’
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাইয়েবুর রহমান আশিক বলছেন, আগাম নোটিশ দেয়ার পরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
উচ্ছেদ করে প্রাপ্য গ্রাহককে জায়গা বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি। সরকারের সিদ্ধান্তই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
উচ্ছেদ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে গেল মঙ্গলবার বস্তির বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বন্ধ করা হয়।