1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রাজনৈতিক পরিচয় অস্বীকারের এক বছর পর রাবি ছাত্রদলের শীর্ষ পদে এশা - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানল অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব জাপান ব্যাংকের গভর্নরের সাথে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ফাহিম একাদশের জয় অনুমোদনহীন নির্মাণের অভিযোগে কুয়াকাটায় ইস্তানবুল হোটেলের কাজ বন্ধ নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি কি ক্ষমতা হারাচ্ছে? উত্তেজনায় ইসরায়েলি নির্বাচন ঢাকায় নতুন দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ঠিকাদার নিয়োগে ৪ চুক্তি সই হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব দিল সৌদি আরব ঢামেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট: চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা ভারতের দিকে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: বাংলাদেশে কেমন প্রভাব পড়বে? শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী

রাজনৈতিক পরিচয় অস্বীকারের এক বছর পর রাবি ছাত্রদলের শীর্ষ পদে এশা

মো. বিপ্লব উদ্দীন,রাবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫ ২:৪৩ পিএম
শেয়ার করুন

“আমি একজন ছাত্রী, কেবলই ছাত্রী”—গত বছরের ৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি পোস্ট দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিন বিশ্বাস এশা।

ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে তিনি নিজেকে রাজনৈতিক ট্যাগবিহীন পরিচয়ে পরিচিত করতে চেয়েছিলেন। বলেছিলেন, রাজনৈতিক কোন ছাত্রসংগঠনের সাথে অতীতেও যুক্ত ছিলাম না, বর্তমানেও নেই, ভবিষ্যতেও হবো না ইনশাআল্লাহ।”

কিন্তু এক বছরের ব্যবধানে দৃশ্যপট যেন একেবারে বদলে গেছে। সেই এশা এখন রাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গত বছরের ৪ আগস্ট তিনি লেখেন,
“অবস্থান স্পষ্ট! আমি একজন ছাত্রী! কেবলই ছাত্রী। আমার ছাত্রত্বের পাশে কোনো ধরনের ট্যাগ, যেমন: লীগ, দল, জামাত, শিবির” ইত্যাদি রাজনৈতিক ট্যাগ যুক্ত করবেন না।

রাজনৈতিক কোন ছাত্রসংগঠনের সাথে অতীতেও যুক্ত ছিলাম না, বর্তমানেও নেই, ভবিষ্যতেও হবো না ইনশাআল্লাহ।
It’s loud and clear”

এ নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে উঠেছে প্রশ্ন, যে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে রাখার অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি কীভাবে একটি রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হলেন?

ছাত্রদলের একাধিক নেতা এ বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “যারা মাঠে আন্দোলনে ছিলেন, তাঁরা অনেকেই তালিকায় নেই। অথচ যারা আগে বলতেন তারা রাজনীতি করেন না, তারাই এখন বড় বড় পদে বসে আছেন।”

এবিষয়ে জানতে চাইলে রাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জাহিন বিশ্বাস এশা বলেন, তখন ছিল আন্দোলনের সময় এবং সকলের একটাই পরিচয় ছিল সাধারণ ছাত্র। আমার তখন অবস্থান যা ছিল সেটিই উল্লেখ আছে। যখন ছাত্রলীগ তাড়ানো হলো ক‍্যাম্পাস থেকে তখন সকলে মিলে অরাজনৈতিক ভাবেই বাস্তবায়ন করে। আর সে সময় কেও যদি নিজেকে রাজনৈতিক ভাবে প্রেজেন্ট করত তাহলে আন্দোলন টা অবশ্যই স্বৈরাচার সরকার অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতো। কারন তখন সেই আন্দোলনকে বিএনপি- জামায়াতের আন্দোলন বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল সকলেই জানে। আন্দোলন পরবর্তী প্রেক্ষাপট কি আসলে তাই?

তিনি আরও বলেন, আমার নিজের সাথে ট‍্যাগ আনুষ্ঠানিক ভাবে সত্যিই তো ছিল না তবে পরোক্ষভাবে বিএনপি এর ট‍্যাগ পারিবারিক ভাবেই আমার ছিল এবং তখনও যারা আমাকে চিনতো সকলেই জানতো আমি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। আন্দোলন ছিল সার্বজনীন, আমার ছিল সেই আন্দোলনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এবং সেই প্রেক্ষিতে নিজেকে এই অবস্থানে ডিক্লেয়ার করা ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। আন্দোলন পরবর্তী সময়ে তরুণদের রাজনীতি তে প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আন্দোলনে যেমন নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে তেমনি ভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নারী অধিকার,নারী নেতৃত্ব অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।

এবিষয়ে জানতে রাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুলকে ফোন ও টেক্সট করে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরো খবর