1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফেভারিট বাংলাদেশ, শিরোপা জয়ের বড় সুযোগ - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফেভারিট বাংলাদেশ, শিরোপা জয়ের বড় সুযোগ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ৭:০৯ এএম
শেয়ার করুন

প্রায় ১৪ বছরের ব্যবধান শেষে আবারও ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের সামনে। ২০০৩ সালে একবারই এই ট্রফি জেতার কৃতিত্ব অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। এরপর বিগত ৯টি আসরে অংশ নিলেও শিরোপা আর ছুঁয়ে দেখা হয়নি। তবে হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের মতো প্রবাসী তারকাদের অন্তর্ভুক্তিতে জাতীয় দলে যে নতুন জাগরণ তৈরি হয়েছে, তাতে এবার শিরোপা পুনরুদ্ধারের প্রবল সম্ভাবনা দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। আগামী ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাফের ১৫তম আসরে স্বাগতিক বাংলাদেশকেই সবচেয়ে শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে, সেটি হবে খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। দলে বিশ্বমানের ফুটবলাররা যোগ দিয়েছেন। কেননা দুর্বল আক্রমণভাগ নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে বাংলাদেশ। এই ভরাডুবির পরপরই সাফ চ্যালেঞ্জে নামছে বাংলাদেশ।

এবারের আসরে ছয়টি দেশ অংশ নিচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত সাফের সবশেষ টুর্নামেন্টে আটটি দল খেলেছিল, যেখানে ভারত শিরোপা জেতে এবং রানার্সআপ হয় কুয়েত। এবারের আসরে নেই শক্তিশালী দল নেপাল, যাদের ফিফার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া ভারত তাদের সিনিয়র জাতীয় দলের পরিবর্তে অনূর্ধ্ব-২৩ দল পাঠাচ্ছে। সবমিলিয়ে অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্যের বিচারে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপের তুলনায় বাংলাদেশই টুর্নামেন্টের অন্যতম দাবিদার। সাবেক গোলরক্ষক ও আটবার সাফ খেলা বিপ্লব ভট্টাচার্যের মতে, ঘরের মাঠে খেলা এবং প্রতিপক্ষ দলগুলোর বর্তমান অবস্থার কারণে বাংলাদেশ ফাইনাল খেলার যোগ্য দাবিদার। তবে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান বাংলাদেশকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে বলে তিনি মনে করেন। ফিফার নিষেধাজ্ঞা থাকায় সাফে নাম লেখাতে পারেনি দলটি। অভিজ্ঞতা, শক্তি, সামর্থ্য—সব দিক বিচার-বিশ্লেষণ করলে এই ছয়টি দলের মধ্যে বাংলাদেশই ফেভারিট। শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের বেশ কিছু খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, নরওয়ে, সুইডেন ও ইংল্যান্ডের ক্লাবের হয়ে খেলে থাকেন। তাদের একাদশে ১১ জনের মধ্যে ৯ জনই থাকেন বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়। যদি আসন্ন সাফে বাংলাদেশকে কেউ কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, সেই দল হবে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে যদি টাইমিংয়ে খেলোয়াড় থাকেন তাহলে গোল হবেই।

শ্রীলঙ্কা দলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্লাবে খেলা বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের আধিক্য রয়েছে। এছাড়া পাকিস্তান দলটিও বেশ প্রতিশ্রুতিশীল। তবুও প্রবাসী খেলোয়াড়দের মান ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে বাংলাদেশ অন্যদের চেয়ে এগিয়ে। ২০০৩ সালে সাফজয়ী দলের সদস্য আলফাজ আহমেদ মনে করেন, বর্তমান দলটির সাফের শিরোপা জেতার সক্ষমতা রয়েছে। তার মতে, কোচ থমাস ডুলির রণকৌশল ও দৃষ্টিভঙ্গিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়রা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও কৌশলগত দিক থেকে কোচকেই শিরোপার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আলফাজের মতে, এই সুযোগ হাতছাড়া করা দলের জন্য বড় ব্যর্থতা হবে। প্রবাসী খেলোয়াড়ে ঠাসা শ্রীলঙ্কা দলটি পারফরম্যান্সেও দুর্দান্ত। বিপ্লব বলেন, ‘অনেক কারণেই এবার আমরা সবার চেয়ে এগিয়ে। এদিকে, ২০০৩ সালের সাফজয়ী স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদ। একাদশ সাজানো থেকে শুরু করে সব দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন কোচ। খেলোয়াড়রা তো তাদের সেরা পারফরম্যান্সটাই দেবে। আলফাজ আহমেদের মতে, আক্রমণভাগে বাংলাদেশের দুর্বলতার খবর পুরোনো। তবে এখানে যারা খেলছেন, তারা বেশ প্রতিশ্রুতিশীল। স্কোয়াডে যারা আছেন, যে কেউই গোল করতে পারেন। সেখানে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারেন সুকি, ফারহানরা।

দল হিসেবে শক্তিশালী হলেও গোল করার দক্ষতা বা ‘নাম্বার নাইন’ পজিশন নিয়ে কোচ থমাস ডুলির মাথাব্যথা দীর্ঘদিনের। আক্রমণভাগের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার ওপরই শিরোপা জয় অনেকটা নির্ভর করছে। আলফাজ আহমেদ মনে করেন, সুকি ও ফারহানদের মতো খেলোয়াড়রা উইং থেকে ভালো বল পেলে গোল পাওয়া সম্ভব। সম্প্রতি ফিফা আয়োজিত আসিয়ান কাপে তিন ম্যাচ খেলে ১৩ গোল হজম করায় দলের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিপ্লব ভট্টাচার্যের ভাষ্যমতে, আসিয়ান কাপের ভরাডুবিতে শুধু গোলরক্ষক নন, পুরো দলের পারফরম্যান্স হতাশাজনক ছিল। সাফে খেলোয়াড়দের মানসিক সমর্থন ও উৎসাহ জোগাতে পারলে গোলরক্ষকসহ পুরো দল তাদের সেরাটা দিয়ে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে।

এই বিভাগের আরো খবর