1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কুড়িগ্রাম অচল, ফিরেছে শৈত্যপ্রবাহ - আজকের কাগজ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দেশে আসছে পেপ্যাল, ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার পাবেন পরিচয়পত্র : প্রধানমন্ত্রী নৌ অবরোধ তুলে নিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব হবে না: ট্রাম্প অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত ইরানের শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিলেন স্ত্রী ‎ক্লাস পরিক্ষা বন্ধ করে শিক্ষকদের আন্দোলন,ক্ষোভ ও হতাশায় ববির শিক্ষার্থীরা হিলিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় শিশুর মৃত্যু চলমান আন্দোলন নিয়ে ববি শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ, স্বাক্ষর ব্যবহার নিয়ে নিজস্ব ফেসবুক গ্রুপে প্রতিবাদ

হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কুড়িগ্রাম অচল, ফিরেছে শৈত্যপ্রবাহ

মোবাশ্বের নেছারী
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬ ৫:০৩ পিএম
শেয়ার করুন

একদিনের বিরতির পর আবারও কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুয়াশা কিছুটা কেটে গেলেও হিমেল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে জনজীবন।
জানুয়ারি শুরুর পর থেকেই জেলায় শীতের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ। দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৭–১৮ ঘণ্টাই তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী। কাজ বন্ধ থাকায় অনেকে পড়েছেন চরম সংকটে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের সফিকুল বলেন অতিরিক্ত শীতের প্রভাবে মোর একটা ছোট বাচ্চা জ্বর,সর্দি,কাশিতে কয়েকদিন থেকে ভুগতেছে। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান জানান সরকারিভাবে দুইশত কম্বল পেয়ে বিতরণ করলেও যা চাহিদা তুলনায় অপরতুল। তিনি সরকারি ও বেসরকারিভাবে ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জোর দাবি জানান।
শীতের প্রভাব পড়েছে কৃষি খাতেও। রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙা ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া এলাকার কৃষক আব্দুল খালেক জানান,
“প্রচণ্ড ঠান্ডায় আলুর ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিঘাপ্রতি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা বাড়তি খরচ করে ওষুধ দিতে হচ্ছে। ন্যায্য দাম না পেলে বড় লোকসানে পড়বো।”
একই এলাকার কৃষি শ্রমিক আবুল হোসেন বলেন,
“শীতে বোরো বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে ইরি আবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।”
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় ইতোমধ্যে ৫৩ হেক্টর জমির বীজতলা কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছে।
এদিকে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ছে। শিশু, নারী ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।
কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন,
“শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। জেলার ৯টি উপজেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।”
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবে চন্দ্র সরকার জানান,
“রোববার সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ। বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।”
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *