1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
৯ ব্যাংকের ঘাটতি ১৮ হাজার কোটি টাকা - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ফেসবুকে প্রেম, ধর্মান্তরিত হয়ে চীনের ওয়্যাং বিয়ে করলেন বাংলাদেশী লিজাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর সাদেকা হালিমসহ ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল ৩ অটোরিকশা, নিহত ২ কুড়িগ্রামে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ঘিরে কিশোর-কিশোরীদের ফুটবল উৎসব আমিরাতে ভিসা বাতিল নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মধ্যনগর সীমান্তে বাঙ্গালভিটায় বিজিবির অভিযানে, ২৮ ভারতীয় গরু ও ১ টি স্টিলবডি নৌকা আটক ফুলবাড়ী সীমান্তে ২৯ বিজিবির অভিযানে নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা: বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিক্রিয়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের পক্ষে আদালতে ছিল না কোন আইনজীবী

৯ ব্যাংকের ঘাটতি ১৮ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ৩:২২ পিএম
শেয়ার করুন

বিগত সরকারের আমলে লুটপাটের শিকার ব্যাংকগুলোতে তীব্র সংকট চলছে। নতুন সরকার ব্যাংক খাতের সংস্কারে মনোযোগ দেওয়ার পর থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না অনেক ব্যাংক।

ঋণখেলাপি, প্রভিশন ঘাটতি এবং মূলধন ঘাটতির বোঝায় ব্যাংকগুলো নুয়ে পড়েছে। বেসরকারি খাতের ৯টি ব্যাংকের চলতি হিসাবের ঘাটতি ছাড়িয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা।

আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ইসলামি ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক।

এর মধ্যে পাঁচটি ব্যাংক তারল্য সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টি চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এই ব্যাংকগুলো অন্যান্য সবল ব্যাংক থেকে সহায়তা নিতে পারবে।

যেখানে গ্যারান্টার হিসেবে থাকবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া এক্সিম ও ইসলামী ব্যাংক আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে গ্যারান্টি চুক্তি হয়নি। এদিকে পদ্মা ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এখন পর্যন্ত কোনো আবেদন করেনি।

সূত্র মতে, ব্যাংকগুলো কী পরিমাণ তারল্য সহায়তা নিতে পারবে তা ঠিক করে দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এসব ব্যাংক আন্ত ব্যাংক মুদ্রাবাজার থেকে নির্ধারিত মেয়াদে বিশেষ ধার পাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি টাকা না দিয়ে অন্য ব্যাংক থেকে ধারের ব্যবস্থা করছে। এর মানে বাজারের টাকা এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে যাবে। ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর বাড়তি প্রভাব পড়বে না।

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর আন্ত ব্যাংক মুদ্রাবাজারের মাধ্যমে রুগ্ন ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনা করবে বলে ইঙ্গিত দিলে পুনর্গঠিত এসব ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির জন্য আবেদন করে।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগের মতো টাকা ছাপিয়ে তারল্য সহায়তা দেবে না। তবে ব্যাংকগুলো আন্ত ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহের মাধ্যমে এ সহায়তা নিতে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর