1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে আড়াল করতে রাজনীতির ছত্রছায়া ব্যবহার করছে: গোলাম আকবর খোন্দকার - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে আড়াল করতে রাজনীতির ছত্রছায়া ব্যবহার করছে: গোলাম আকবর খোন্দকার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫ ১:১৯ পিএম
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাউজান জনপদটিতে বিএনপির দুপক্ষে দলাদলি পৌঁছেছে চরমে। এখনো অশান্ত, প্রায় প্রতিদিনই ঝরছে রক্ত ঘটছে প্রাণহানি।

সাধারণ মানুষের অভিযোগের তীর স্থানীয় দুই প্রভাবশালী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠেছে, ওই দুই নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে রাউজানে শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। খুন-খারাবি হচ্ছে।

নেতাদের একজন দলীয় চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) নগরের কাজীর দেউড়ির নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে ‘পরিষ্কার’ করেছেন রাউজান অশান্ত হওয়ার কারণ! তবে তার অভিযোগের নিশানা বরাবরের মতো আওয়ামী লীগের দিকে তাক করা হলেও চোখেমুখে ছিল কিছু অন্য ‘কষ্ট’। অন্যদিকে, আরেক নেতা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস কাদের চৌধুরীও বলে আসছেন, রাউজানে খুন-খারাবিতে দলের কেউ জড়িত নন!

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে রাউজানে বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আমি মনে করি, যে হত্যাকাণ্ড গুলোর ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

তিনি বলেন, পরিষ্কারভাবে আমি বললাম, রাজনৈতিক কোনো নেতার দ্বন্দ্বে এইগুলো হয় নাই। আপনারা যদি শুরু থেকে তালাশ করেন মূলত ১৯৮৫ সালের পর থেকে ফারুক হত্যার মাধ্যমে হত্যার ঘটনা শুরু হয় রাউজানে। এ পর্যন্ত শতাধিক ছাত্র যুবককে প্রাণ দিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা এসব হত্যাকাণ্ডে যুক্ত ছিল। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, গত বছর ৫ আগস্ট পট পরির্বতনের পরে আবার সেই হত্যাকাণ্ড গুলো শুরু হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হচ্ছে মাটিকাটা, খালের বৈধ-অবৈধ বালুমহল দখল, দখলের দ্বন্দ্ব, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি, সরকারের বিভিন্ন প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারদের থেকে কমিশন বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত সন্ত্রাসীরা এই হত্যাকাণ্ডগুলো করে আসছে।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত কয়েক মাসে রাউজানে বিভিন্ন অস্ত্র-শস্ত্র কেনা হয়েছে। এটা অনেকেই জানেন, হয়তো প্রশাসনও জানেন। সুতরাং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার জন্য রাজনীতির ছত্রছায়া ব্যবহার করছে। আমাদের দলের মধ্যে আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। আমাদের নামে অসংখ্য মামলা। আমি জীবনে কাউকে একটা ঢিল মারিনি। আমাকে রাজপথের মিছিল থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। বেশ কিছুদিন আমি কারাগারে ছিলাম। শুধু আমি না, আমাদের অনেক নেতাকর্মীর নামে মামলা আছে।

রাউজানের সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষিতে তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পরই দেখা যায়, কাদের নামে মামলা দিলে চাঁদা আদায় করা যাবে, এ ধরনের তোড়জোড় শুরু হয়। কোনো সন্ত্রাসী দলের নেতাকর্মী হতে পারে না। কারণ প্রকৃত নেতা সন্ত্রাসী হতে পারে না। রাউজানের সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডে দেখেছি, হত্যাকাণ্ডের পর কাকে কাকে আসামি করা হবে সে তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। কারণ কাকে কাকে আসামি করলে তার থেকে চাঁদা আদায় করা যাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হানিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস চৌধুরী, কাজী সালাউদ্দিন, মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ নুর মোহাম্মদ, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, ফটিকছড়ি পূর্ব জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আজিজুল্লাহ বাহার, রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক জসিম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এম এ তাহের, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী ও আজিজুর রহমান চৌধুরীসহ যুবদলের নেতাকর্মীরা।

এই বিভাগের আরো খবর