
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ-সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, শুধু পিআর পদ্ধতি নয়, যথাযথ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন ফলপ্রসূ হবে না। সংস্কারকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে। আমরা যদি আগের মতো নির্বাচন করি-তাহলে আবারও আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদ তৈরি হবে।
শুক্রবার বাদ মাগরিব চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. তাহের আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন সংস্কার এবং সাংবিধানিক পরিবর্তন যদি না হয়, তাহলে আমরা আবার আগের জায়গায় চলে যাব। আমরা উনার এই বক্তব্যকে সমর্থন করি। এর আগে উনি যে পদক্ষেপ নিয়েছেন-সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা, আমরা এর নিন্দা জানাই। আমরা মনে করি এখনও সংস্কারের অনেক সময় রয়েছে। সংস্কারকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে এবং সংস্কারের পরেই নির্বাচন।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বাদ মাগরিব গুনবতীর রাজবল্লভ পুর জাব্বারিয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ভিপি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের শুরা সদস্য আইয়ুব আলী ফরায়েজী, ঢাকা মতিঝিল থানা জামায়াতের ব্যবসায়ী বিভাগের সভাপতি আ ন ম মেশকাত উদ্দিন সেলিম, গুনবতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোহাম্মদ ইউসুফ মেম্বার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ডা.মঞ্জুর আহমেদ সাকি, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য, মাওলানা আবু তাহের মাসুম, গুনবতী ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির আলহাজ্ব আবু ইউসুফ, জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মু শাহাবুদ্দিন।চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা ইব্রাহীম, নায়েবে আমির কাজী এয়াছিন, জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, মোশাররফ হোসেন ওপেল।
এ সময় হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সন্জিব দাস, বাসু দেবনাথ, লিটন দত্ত, নারায়ণ দাস, কমলেশ মন্ডল, শ্রী শংকর দত্ত। বৌদ্ধদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- ভোবন মাস্টারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত ভিন্ন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বৃন্দ।