
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গায় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত জাকারিয়া ইসলাম(১৭) জানিন নামের এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারী) হামলার এঘটনাটি ঘটে। পরে এঘটনায় থানায় উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করে।যা বর্তমানে তদন্তাধীন আছে।
ওইদিনের হামলায় জাকারিয়া জানিনের শরীরে ফুলাজখম হলে তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
সেই থেকে তিনি বাড়িতেই ছিলেন।এরইমধ্যে রোববার (১ মার্চ) ভোরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান।তিনি উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হামিদ গ্রামের মাহবুব আলমের ছেলে। এব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ করা হয়।অভিযোগের ভিক্তিতে সাদুল্লাপুর থানার এসআই সুজন সরকার,এসআই গোলাম মোস্তফা ও এসআই সবুর সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।এরআগে এসআই গোলাম মোস্তফা লাশের সুরুতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে তা ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা মর্গে প্রেরনের জন্য যাবতীয় কার্যক্রম সস্পন্ন করেন।সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম অ়ভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, ওই ঘটনায় তার মৃত্যু নাকি অন্যকোন কারনে তার মৃত্যু হয়েছে সেটি এখনি নিশ্চিত করে বলা যাবে না।তবে ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলেই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, নিহত জাকিরুল ইসলাম জানিনের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী বেলাল গংদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে এহামলার ঘটনা ঘটে। এতে বেলাল গংদের হামলায় জাকিরুল ইসলাম জানিন গুরুতর আহত হন। জাকিরুল ইসলাম জানিনের দাদা শাহা মিয়া বলেন, আমার নাতিকে বেলাল ও তার পরিবাবের লোকজন বেধরক ভাবে লাঠিপেটা করায় তার মৃত্যু হয়েছে। আমি এ ঘটনার জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
Leave a Reply