1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আজ ঈদ উদযাপন - আজকের কাগজ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
যৌক্তিক হারে গণপরিবহন ভাড়া না বাড়ালে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালককে ছুরিকাঘাত ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধ পিতাকে পিটিয়ে ঘরে বন্দি ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর আজ, দাবি ট্রাম্পের মন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের নতুন নির্দেশনা ‎পদোন্নতি সংকটে উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: পরশু থেকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক শাটডাউনের ঘোষণা চৌদ্দগ্রামে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু জবির কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আজ ঈদ উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬ ৩:০১ পিএম
শেয়ার করুন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঈদ উদযাপন করছেন মুসল্লিরা। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ঈদ উদযাপন শুরু করেন তারা। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনেকেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে দিনটি উদযাপন করছেন উৎসবের আমেজে।

ভোলা
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই ভোলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০টি গ্রামে বসবাসরত প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি। শুক্রবার সকাল ৯টায় ঈদুল ফিতরের সবচেয়ে বড় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে বোরহানউদ্দিনের মনিরাম গ্রামের পঞ্চায়েত ও মজনু মিয়া বাড়ি মসজিদ প্রাঙ্গণে। পঞ্চায়েত বাড়ির ঈদের নামাজের ইমামতি করেন মাওলানা মো. আলী আকবর।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভোলার সাত উপজেলার মধ্যে ভোলা সদর উপজেলা, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমুদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার ১০টি গ্রামে প্রায় ১৫ হাজার সাতকানিয়া মির্জাখালী দরবার, সুরেশ্বর দরবার শরীফ, মাইজভান্ডার, আটরশি ও দুদুমিয়া দরবারের অনুসারী রয়েছেন।

তাদের মধ্যে বোরহানউদ্দিন উপজেলা টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামে প্রায় এক হাজার সুরেশ্বর দরবারের অনুসারী রয়েছেন এবং একই ইউনিয়নের মনিরাম গ্রামেও সুরেশ্বর দরবারের অন্তত এক হাজার অনুসারী রয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরে ১১টি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় রামগঞ্জ উপজেলার খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া মাদরাসায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

জানা গেছে, জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারো ঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপাসহ ১১টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধীক মুসল্লী ঈদ উদযাপন করছেন। এছাড়াও এসব গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি পৃথক পৃথকভাবে স্ব স্ব ঈদগা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

মুসল্লিরা জানান, মাওলানা ইসহাক (রা.) অনুসারী হিসেবে এসব এলাকার মানুষ পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছে। এসব গ্রামের মুসল্লিরা প্রায় চার যুগ ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছেন।

কুড়িগ্রাম
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী,রৌমারীসহ পাঁচ উপজেলার ছয়টি গ্রামে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের জেলেপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ঈদের জামায়ত অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
ঈদের জামায়াতের ঈমামতি করেন মাওলানা আব্দুল মালেক। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মৌলভীবাজার
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মৌলভীবাজারে ঈদুল ফিতরের উদযাপন করেছেন শতাধিক নারী-পুরুষ। আজ সকাল ৭টায় মৌলভীবাজার শহরের সার্কিট হাউস এলাকার এক বাড়ির আঙিনায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন আব্দুল মাওফিক চৌধুরী। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর থেকে এভাবে এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

সাতক্ষীরা
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাতক্ষীরার প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। আজ সকাল ৮টায় সদর উপজেলার কুশখালী বাউকোলা এলাকায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কুশখালী বাউকোলা মসজিদে অনুষ্ঠিত এই প্রধান জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মহব্বত আলী।

এতে সদর উপজেলার ঘোনা, ভাড়ুখালী, মিরগিডাঙ্গা ও কলারোয়া উপজেলার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভাঁদড়া এবং পাইকগাছাসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ অংশ নেন।

ফতুল্লা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় হযরত শাহ্ সুফী মমতাজিয়া এতিমখানা ও হেফজখানা মাদরায়সায় ‘জাহাগিরিয়া তরিকার’ অনুসারীরা ঈদের নামাজ আদায় করেন এবং ঈদ উদযাপন করেন।

জামাতের ইমামের দায়িত্ব পালন করেন মুফতি মাওলানা শাহাবুদ্দিন। জামাতে নিতে গাজীপুরের টঙ্গী, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, পুরাতন ঢাকা, ডেমরা, সাভার এবং নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, রূপগঞ্জ, বন্দর, আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ উপজেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ, দেশের শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া এবং মোনাজাত করা হয়।

গলাচিপা
গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলখালি গ্রামের গাজী বাড়ি শাহ্ সুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ইমামতি করেছেন মাওলানা মো. আল আমিন। এ গ্রামের শতাধিক পরিবার এ ঈদ উদযাপন করেন। ঈদের নামাজ শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আকবর গাজী (৭২) জানান, আমরা দুই শ বছরের বেশি সময় ধরে চাঁদ দেখে এই উৎসব পালন করে আসছি। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের আকাশে চাঁদ দেখা গেলে আমরা ঈদ উদযাপন করি। আমাদের প্রধান দরবার চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফ এবং চন্দনাইশের জাহাঁগিরিয়া শাহছুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ। তাদের নির্দেশ অনুসরণ করে আমরা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে থাকি।

বোয়ালমারী
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০টি গ্রামে প্রতিবছরের মতো এবারও একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা শুরু ও শেষ করার ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন এসব গ্রামের বাসিন্দারা।

আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয়ে বেলা সোয়া ১০টার মধ্যে পর্যায়ক্রমে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় বোয়ালমারীর সহস্রাইল দায়রা শরীফ, রাখালতলি ও মাইটকুমরা মসজিদে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারীর শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কাটাগড়, সহস্রাইল, দরিসহস্রাইল, মাইটকুমড়া, রাখালতলি ও গঙ্গানন্দপুরসহ অন্তত ১০টি গ্রামের কিছু মানুষ বহু বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন করে আসছেন। একই ধারাবাহিকতায় তারা একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করেন। এছাড়া পার্শ্ববর্তী আলফাডাঙ্গা উপজেলার শুকুরহাটা ও ইছাপাশা গ্রামের কিছু মুসল্লিও এ জামাতে অংশ নেন।

বেতাগী
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে বরগুনার বেতাগীর ১০টি গ্রামের অন্তত ৫ হাজার মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। আজ সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের মধ্য বকুলতলী গ্রামের মল্লিক বাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বয়সী শতাধিক মানুষ এ ঈদের নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

এ ছাড়াও বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুরা, কাজিরাবাদ, বকুলতলী, হোসনাবাদ, ছোপখালী গ্রামসহ ১০টি গ্রামের অন্তত ৫ হাজার মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।

কটিয়াদী
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে প্রতিবছরের মতো এবারও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টার দিকে বাহেরচর মসজিদে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে আশপাশের উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শতাধিক মানুষ অংশ নেন। ঈদ জামাতের ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেছেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবারের মাওলানা মোরশেদুর রহমান।

জানা যায়, প্রায় আড়াই শ বছর আগে সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল গ্রামের হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঙ্গীরী (রহ.) হানাফি মাজহাবের আলোকে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে তা অনুসরণ করে রোজা ও ঈদ পালনের ফতোয়া প্রদান করেন। সেই ধারাবাহিকতায় তার অনুসারীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের চাঁদ দেখার ঘোষণাকে গুরুত্ব দিয়ে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

নাজিরপুর
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের ৩৫ পরিবার ঈদ পালন করেছেন। আজ সকালে আল-আমিন জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের করেন ওই গ্রামের মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার শুরেশ্বর গ্রামের হজরত মাওলানা আহমেদ আলী শুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা ১৫০ বছর ধরে প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখাসহ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ওইসব পরিবার আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে।

দিনাজপুর

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছরের ন্যায় দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মুসল্লিরা আগাম ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।
​এই জামাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের বিষয়ে আয়ড়া জামাতের ইমাম হাফেজ আল আমিন বলেন, “সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই ব্যবধানের কারণে দিনের পরিবর্তন হয় না। তাই আমরা তাদের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখি এবং নামাজ আদায় করি।

তিনি আরও জানান যে, ১৯৯৭ সাল থেকে এ ধরনের উদ্যোগের চিন্তা থাকলেও মূলত ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হচ্ছে।

​বিরামপুর থানার এসআই দুলু মিয়া জানান, উপজেলার জোতবানি ও বিনাইল ইউনিয়নে এই দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন ছিল। এই দুইটি জামাতে প্রায় ২২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

নওগাঁ

নওগাঁর পত্নীতলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে উপজেলার নজিপুর পৌর এলাকার কলোনিপাড়ায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

নামাজ শেষে মেহেদী হাসান জানায়, গত ২০০০ সাল থেকে পারিবারিকভাবে সৌদির সঙ্গে ঈদ উদযাপন শুরু করেন তারা।২০০৫ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জামাতের আয়োজন করেন। এতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মাওলানা কামারুজ্জামান বলেন, প্রায় ১২ বছর ধরে ইমামতি করছি। শরীয়াহ অনুযায়ী শাওয়াল মাসের প্রথম দিনেই ঈদ পালনের বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী সৌদির সঙ্গে মিল রেখে মুসল্লীদের নিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করছেন তিনি।

এতে পত্নীতলাসহ উপজেলার আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রায় শতাধিক মুসল্লী এতে অংশ নেয়। নামাজ শেষে দেশ জাতি এবং মুসলিম উম্মার শান্তি ও কল্যাণের জন্য বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

টাঙ্গাইল

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার শশীনাড়া গ্রামের ৪০টি পরিবার ঈদ উদযাপন করেছে।

শুক্রবার সকাল ৮টায় স্থানীয় মসজিদ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার লাউহাটী ইউনিয়নের শশীনাড়া গ্রামের কিছু মুসল্লি ২০১২ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় স্থানীয় মসজিদ মাঠে ওই গ্রামের প্রায় ৪০টি পরিবারসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ এরশাদ হোসেন।

নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়। সৌদি আরবের সঙ্গে একই দিনে ঈদ উদযাপন করতে পেরে মুসল্লিরা আনন্দ প্রকাশ করেন। তবে ওই গ্রামের বাকি মুসল্লিরা আগামীকাল শনিবার ঈদ উদযাপন করবেন।

চাঁদপুর

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে অর্ধশতাধিক গ্রামে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে এসব এলাকার মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন।

জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যতিক্রমধর্মী ধর্মীয় অনুশীলন চলে আসছে। জানা যায়, ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালনের এই রীতি চালু হয়।

সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) প্রথম এ প্রথা চালু করেন। সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা যাকারিয়া আল মাদানী।

নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আগাম ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

আগাম ঈদ উদযাপনকারী গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে হাজীগঞ্জের সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জের লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলবের দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়ার কয়েকটি গ্রাম।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *