1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সবার সঙ্গে পরামর্শ করেই এইচএসসি পরীক্ষা বহাল রাখা হয়েছিল: শিক্ষামন্ত্রী - আজকের কাগজ
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাহাড়ে সুরক্ষিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ট্রাম্পের বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে ত্রুটি: চার জনকে শোকজ সুখবর পেলেন শাহরুখ খান ও গৌরী প্রেসিডেন্টের অনুরোধে পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’ না চালানোর আহ্বান হাসনাতের হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর, আক্রান্ত ৯৯০ তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর দুই দফায় আরও কমলো স্বর্ণের দাম স্পেনকে বোতলবন্দী করতে ফ্রান্সের কৌশলও চূড়ান্ত!

সবার সঙ্গে পরামর্শ করেই এইচএসসি পরীক্ষা বহাল রাখা হয়েছিল: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ ৮:৩১ পিএম
শেয়ার করুন

সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই এইচএসসি পরীক্ষা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, পরীক্ষার আগের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সবাই জানিয়েছিলেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকবে। এ কারণেই পরীক্ষা বহাল রাখা হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সম্পূরক প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে গত কয়েক দিন ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বড় শহরে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হওয়ায় মঙ্গলবার আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি জানতে চান, ফিজিক্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি এক বা দুই দিন পেছানো সম্ভব ছিল কি না।

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাদেশে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়। প্রায় ২ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে ৬৪ জেলায় একই সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়। এর আগে চট্টগ্রামে বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হলে পর্যায়ক্রমে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং পরে পুরো চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, বৃষ্টির পরিস্থিতি আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছিলাম। ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার, আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছিল, আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এরপর বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সকালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের মাঠ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানার পরপরই মেয়র, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে কলেজের পাঁচতলা ভবনে নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, কোথাও দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা নিতে সমস্যা হয়নি। শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ওই কেন্দ্রে বিলম্বে পরীক্ষা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এক পরীক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যাওয়ায় বাড়ি থেকে নতুন পোশাক এনে দেওয়া হয়। তাকে এক ঘণ্টা পরে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও পুলিশ প্রশাসন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এমনকি প্রয়োজনে পরীক্ষা স্থগিত করার ক্ষমতাও তাদের রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা নিয়মিত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। তারা জানিয়েছেন, যথাযথভাবেই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আমরা সব সময় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করি।

এই বিভাগের আরো খবর