1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
ইসরাইলের সরকার গঠনের দায়ভার কার কাঁধে, রোববারই সিদ্ধান্ত - আজকের কাগজ
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নেশার নৃশংসতায় রক্তাক্ত কুড়িগ্রাম, স্বজনের হাতেই ঝরছে প্রাণ! অফিসে নয়, রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থনের প্রতিফলন ঘটবে ব্যালটে: প্রধানমন্ত্রী প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে ভোট, ইভিএম আর নয়: ইসি সচিব নতুন বছরে বই-ড্রেস-জুতা-ব্যাগ পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ নড়াইলের কাজলা নদীতে নারীদের অভূতপূর্ব নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা ঢাবির পাঁচটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, পালানোর সময় আটক ২ রমজান সামনে রেখে পণ্য আমদানির এলসি খোলার শর্ত শিথিল টেকনাফে অসময়ে বাজারে লাল-হলুদ তরমুজ, মাচায় চাষ করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চার বন্ধু রাতেও ছিলেন ঘরে, সকালে মিলল বাগানে নিথর দেহ

ইসরাইলের সরকার গঠনের দায়ভার কার কাঁধে, রোববারই সিদ্ধান্ত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ৮:৩৯ পিএম
শেয়ার করুন

ইসরাইলের সরকার গঠনের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ আগামী রোববার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন। গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট। নির্বাচনের ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকট—কেউই এককভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে প্রেসিডেন্ট হারজগ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার ফলাফল দেখে বিষয়টি স্পষ্ট মনে হলেও আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তার ওপরই ন্যস্ত। নেতানিয়াহু ডানপন্থি রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু আইন অনুযায়ী, সরকার গঠনের সক্ষমতা কার রয়েছে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব আমার। এ জন্য কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করব।’। নেতানিয়াহু এ অব্যাহতি বহাল রাখলেও বিষয়টি এখনো আইনে পরিণত করেননি। এ নিয়ে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ রয়েছে।

প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, পার্লামেন্টে সংসদ সদস্যদের সর্বোচ্চ সমর্থন পাওয়া নেতাকেই সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো হয়। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ৬৭ জন সংসদ সদস্য গাদি আইজেনকটকে সমর্থন দিয়েছেন, বিপরীতে নেতানিয়াহুর পক্ষে রয়েছেন ৪৬ জন। এছাড়া সাতজন সংসদ সদস্য কোনো পক্ষকেই সমর্থন করেননি। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বলেছেন, জোটগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং দুপক্ষের মধ্যকার অস্পষ্টতা দূর করতে তিনি শিগগিরই শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সাথে সরাসরি ব্যক্তিগত আলোচনায় বসবেন। পরে তিনি নেতানিয়াহুর সমালোচকে পরিণত হন।

বিরোধী নেতা আইজেনকটের দল ইয়াশার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরাইলি জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং বর্তমান সরকারের ওপর তাদের আস্থা নেই। তবে আইজেনকটের পক্ষেও অবস্থান নেয়নি দলটি।

দ্রুত একটি জাতীয় জরুরি সরকার গঠন এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছে দলটি।

এদিকে, এই নির্বাচনে আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি দল নজিরবিহীন সাফল্য দেখিয়েছে এবং মোট ১৯টি আসন অর্জন করেছে।

আরব দলগুলো এরই মধ্যে আইজেনকটের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছে।

তবে আইজেনকটের জোটের শরিক দল ইসরাইল বেইতেনু জানিয়েছে, তারা আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকারে থাকবে না।

দলের নেতা আভিগদর লিবারম্যান আরব দলগুলোর প্রতি হামাসের সাথে সম্পৃক্ততার সন্দেহে কড়া সমালোচনামুখর রয়েছেন, যদিও এসব দলের পক্ষ থেকে হামাসের হামলার নিন্দাও জানানো হয়েছে। যদিও ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার নিন্দা একাধিকবার জানিয়েছে দলগুলো।

ধর্মীয় ও অতি-ডানপন্থি রাজনীতির প্রভাবে সরকার গঠন প্রক্রিয়া জটিল আকার ধারণ করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে নেতানিয়াহুর মিত্র থাকা অতি-ধর্মীয় দল ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম এবার নির্বাচনে তাকে সমর্থন দেওয়ার কোনো সুপারিশ করেনি। ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সাতটি আসন নিয়ে থাকা এই দলটি এবার কোনো পক্ষকেই সমর্থন না করার ঘোষণা দিয়েছে। দলের সংসদ সদস্য আইজ্যাক পিনড্রাস স্পষ্ট করেছেন যে, যেকোনো নতুন সরকারে তাদের প্রথম শর্ত হলো ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধান করা। অথচ আইজেনকট সামরিক সেবার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন, যা ধর্মনিরপেক্ষ ভোটারদের কাছে তার জনপ্রিয়তার কারণ হলেও ধর্মীয় দলগুলোর সাথে বিরোধ তৈরি করেছে। ইসরাইলের ১২০ আসনের পার্লামেন্টে দলটির আসনসংখ্যা সাত।

গাজা, লেবানন ও ইরানের সাথে যুদ্ধের কারণে রিজার্ভ সেনার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ায় সামরিক অব্যাহতির বিষয়টি ইসরাইলি সমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম এই দরকষাকষির মাধ্যমে নেতানিয়াহুকে চাপে রাখতে চায়, তবে শেষ পর্যন্ত নেতানিয়াহু সরকার গঠন করতে পারলে তাদের সেখানে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বর্তমানে নতুন পার্লামেন্টে নেতানিয়াহুর জোটের আসন সংখ্যা ৫৩, যেখানে আইজেনকটের বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। গত তিন বছর ধরে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইসরাইলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট হারজগ কাউকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিলে তিনি ২৮ দিন সময় পাবেন, প্রয়োজনে যা আরও ১৪ দিন বাড়ানো হতে পারে। নির্ধারিত সময়ে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য কোনো সদস্যকে এ দায়িত্ব অর্পণ করতে পারবেন। অন্যদিকে, নির্বাচনে ভরাডুবি এবং আরব দলগুলোর উত্থানের বিপরীতে নেতানিয়াহু বিদেশি শক্তির আর্থিক প্রভাব নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। এছাড়া তিনি ইসরাইলি আরব নাগরিকদের আনুগত্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, যা রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও উসকে দিয়েছে। তাদের মতে, ইসরাইলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশ এই সম্প্রদায়ের হলেও তাদের জন্মহার তুলনামূলক বেশি। ফলে রাষ্ট্রের ওপর তাদের আর্থিক ও সামাজিক চাপও বেশি। বুধবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, নির্বাচনে বিদেশি শক্তিগুলো অর্থ ঢেলেছে বলে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর