1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
চসিক'র উদ্যোগে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে নির্মিত হয়েছে পদ্মফুলের নকশায় আলোকসজ্জিত গোলচত্বর - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
‘আমার সুইটিরে আইনা দ্যাও, আমি ওরে দেহুম’ পুলিশের ওপর হামলা করে ২৮ মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, আহত এএসআই ‘সুপারভাইজার বাস চালাচ্ছিলেন’, ওভারটেক করতে গিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১৪ এবার নাতির অস্ত্রের আঘাতে দাদার ক্ষতবিক্ষত লাশ! আটক নাতি নিখোঁজের ২৪ দিন পর শালবনে মিলল নিহত কিশোরের দেহাবশেষ, গ্রেপ্তার ২ চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশিকে নিয়ে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে নেশার টাকা না দেওয়ায় পাবনায় মাকে জবাই করে হত্যা, ছেলে আটক জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: ডা. শফিকুর রহমান হরমুজ প্রণালির তলদেশের ইন্টারনেট ক্যাবল লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ইরানের

চসিক’র উদ্যোগে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে নির্মিত হয়েছে পদ্মফুলের নকশায় আলোকসজ্জিত গোলচত্বর

রাজু চৌধুরী
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ ৬:২০ পিএম
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে নির্মিত হয়েছে পদ্মফুলের নকশায় দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ স্থাপনার মধ্য দিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুল স্থাপনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি পূরণ হয়েছে।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দায়ক দায়িকা এবং অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল
সমগ্র বৌদ্ধ সমাজের সাধারণ নর-নারীরও।
অবশেষে চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত গোলচত্বরটি নগরীর সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৌদ্ধ দর্শনে পদ্মফুল পবিত্রতা, প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের প্রতীক। ফলে বৌদ্ধ বিহারের সামনে এ স্থাপনা নির্মাণের মধ্য দিয়ে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতিফলনও ঘটেছে।

চট্টগ্রাম বহুদিন ধরেই ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের জন্য পরিচিত। এ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনের পদ্মফুলের গোলচত্বর সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন।

নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় চসিকের এ উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ। একই সঙ্গে এটি নগরীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জনপরিসরে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,

পদ্মফুলের মনোমুগ্ধকর নকশা, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক স্থাপত্যে সজ্জিত এই গোলচত্বর নগরীর সৌন্দর্যে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির চিরন্তন আদর্শের সঙ্গে পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্য এখানে সৃষ্টি করেছে এক অনন্য আবহ।
সোমবার রাত ৯টা ৩৮ মিনিটে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার গোলচত্বরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. জিনবোধি ভিক্ষুর এক সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।

ড. জিনবোধি মহাথের বলেন, এই সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও ভার্তৃত্ববোধের এক সুন্দর মুহুর্ত হয়ে রইল। এমন আন্তরিক যোগাযোগ সমাজে শান্তি, মানবতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক এই প্রত্যাশা।

বুদ্ধের অহিংসা ও মৈত্রীময় শান্তির বাণী সবার হৃদয়ে জাগ্রত হোক। সকলের মঙ্গল হোক, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।
এই নান্দনিক উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে মেয়রের ইতিবাচক পরিকল্পনা, দূরদর্শী চিন্তা ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার প্রত্যয় প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রামকে আরও দৃষ্টিনন্দন, বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা নগরবাসীর প্রত্যাশাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলছে।

তিনি বলেন , ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম এগিয়ে যাক সৌন্দর্য, শান্তি ও উন্নয়নের পথে।
সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ, সম্প্রীতিতে অটুট থাকুক আমাদের প্রিয় চট্টগ্রাম।

এই বিভাগের আরো খবর