1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জমির বিরোধে দাদার গলা কাটলেন নাতি, এরপর যা ঘটল! - আজকের কাগজ
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

জমির বিরোধে দাদার গলা কাটলেন নাতি, এরপর যা ঘটল!

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:৩৩ পিএম
শেয়ার করুন

জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দাদাকে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নাতির বিরুদ্ধে। হত্যার পর অপরাধ আড়াল করতে মরদেহের দুই পা বিচ্ছিন্ন করে একটি ট্রাভেল ব্যাগে লুকিয়ে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। কুড়িগ্রামের উলিপুরে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত নাতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে।

নিহত মোকছেদ আলী বাচ্চু। তাঁর বয়স নিয়ে তথ্যে অমিল রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁর ভাইয়ের নাতি রায়হান কবীর রাব্বি (২০)। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উলিপুর থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ রানা।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টা থেকে ২০ অক্টোবর রাত ২টার মধ্যে উপজেলার ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের কিশামত মধুপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। বড় ভাই একাব্বর আলীর (৭৫) বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন মোকছেদ আলী। একই বাড়িতে ছিলেন একাব্বর আলীর ছেলে মিঠু মিয়ার ছেলে রাব্বিও।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার শেষে একই কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন মোকছেদ আলী ও রাব্বি। পরে কোনো এক সময় মোকছেদ আলীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহের দুই পা বিচ্ছিন্ন করে একটি ট্রাভেল ব্যাগে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ রানা জানান, পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশনায় তাঁর তত্ত্বাবধানে এবং উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শওকত আলী সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তদন্ত শুরু করে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের রেলগেট এলাকা থেকে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আব্দুল মোতালেব মিয়া বাদী হয়ে উলিপুর থানায় মামলা করেছেন। ২০ অক্টোবর দায়ের করা মামলাটির নম্বর ২৭। দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ রানা জানান, হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার রাব্বির বিরুদ্ধে ঢাকার তুরাগ থানায় একটি অপহরণ মামলাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উলিপুর থানার ওসি মো. শওকত আলী সরকারসহ পুলিশের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর