
রাজধানীর মিরপুরের গাবতলী হানিফ বালুর মাঠ থেকে বিশাল এক গণমিছিল নিয়ে বের হয়ে এসএ সিদ্দীক সাজু। এ সময় হাজার হাজার নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পরিপূরক হয়ে ওঠে সড়কটি। হাজার হাজার নেতা কর্মীদের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে রাজপথ সড়কটি তখন জন স্রোতে পরিণত রূপ লাভ করে।
জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মিরপুর, শাহআলী, দারুস সালাম, রূপনগর (আংশিক) ও কাউন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের যৌথ উদ্যোগে এই গণমিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।সোমবার ১২ মে দারুসসালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজু নেতৃত্বে মিছিলটি বের করেন বিএনপি নেতা কর্মীরা। গণমিছিলটি গাবতলী হানিফের বালুর মাঠ থেকে শুরু হয়ে হযরত শাহআলী বোগদাদি (রহ.) মাজার পর্যন্ত অগ্রসর হয়। মিছিলে হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থক ৩১ দফার বার্তা সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। পথচারী ও সাধারণ জনগণ করতালি ও অভিবাদনের মাধ্যমে মিছিলকারীদের উৎসাহিত করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ও দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক জননেতা এস এ সিদ্দিক সাজু। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন অপরিহার্য। দেশের জনগণ শিগগিরই সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার প্রয়াত পিতা সাবেক পাঁচবারের এমপি ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র আলহাজ্ব এস. এ. খালেক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড রেখে গেছেন, তা আমি এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমার দরজা সর্বদা জনগণের জন্য খোলা, যে কোনো প্রয়োজনে আমি আপনাদের পাশে আছি।” প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।