1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম অনিক এখন কী করছেন - আজকের কাগজ
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার থেকে কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৫৬ বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছিল: জামায়াত আমির শ্রীপুরে রেলগেট লড়ির চাপায় বিএনপি নেতার মৃত্যু নিজেদের ব্যর্থতার দায় বিরোধীদের ওপর চাপাবেন না: শফিকুর রহমান ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম অনিক এখন কী করছেন লগি-বৈঠা ট্র্যাজেডির বিচারের দাবিতে জামায়াতের দুই দিনের কর্মসূচি নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে পোয়া-হালিতে কাটছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার সাইবার হামলার কবলে জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট, সচলে তোড়জোড় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩,৩২৪ টাকা

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম অনিক এখন কী করছেন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২:২৮ পিএম
শেয়ার করুন

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যারা শীর্ষস্থান অর্জন করেন, তাদের ঘিরে সবার আগ্রহের শেষ থাকে না। তাদের পড়াশোনার ধরন বা বেড়ে ওঠার গল্প জানতে অনেকেরই কৌতূহল থাকে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষ করার পর এই মেধাবীরা ঠিক কোন পথে পা বাড়ান, সেই খবর অনেকেরই অগোচরে থেকে যায়। এমন কয়েকজনের যাত্রার খোঁজ নিতে গিয়ে পাওয়া গেছে ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনিক বিশ্বাসের বর্তমান অবস্থানের তথ্য। অনিক বলেন, ‘অবশ্যই যথাসাধ্য প্রস্তুতি নেবেন। কোন কলেজে পড়েছেন, কীভাবে বেড়ে উঠেছেন, কেমন করে নিয়েছেন প্রস্তুতি—কত প্রশ্ন তাঁদের কাছে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষে তাঁরা কে কোন পথে পা বাড়াচ্ছেন, সেই খবর অবশ্য অনেক সময়ই আর নেওয়া হয় না। তাই এমন কয়েকজন শিক্ষার্থীর খোঁজ নিয়েছিলাম আমরা। সন্ধ্যাবেলায় অনেক লোক চলে এল আমাকে অভিনন্দন জানাতে।

অনিক বিশ্বাস সেই পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে অনেকের নজর কেড়েছিলেন। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। তবে ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। এখন অনিক যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিষয়ে পিএইচডি গবেষণায় নিয়ত আছেন। সেখানে তিনি গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

২০১৭ সালে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনটির স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে অনিক জানান, সেই দিনটি ছিল মুক্তি বা বড় কোনো পরিত্রাণের মতো। অমানবিক পরিশ্রমের পর প্রাপ্ত সেই সফলতার মুহূর্তটি আজও তাঁর চোখে ভাসে। রেজাল্ট প্রকাশের দিন দুপুরে বাবার সঙ্গে নাশতা খাওয়ার ঘটনা আর সন্ধ্যায় শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড়ের কথা তিনি গভীর মমতায় স্মরণ করেন। প্রথম হওয়ার পর পরিচিতি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ব্যক্তিগত জীবনে কিছুটা অস্বস্তিও তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে ফার্মগেটে তাঁকে ঘিরে আয়োজিত সেই ঢাকঢোল বাজানোর অভিজ্ঞতার কথা আজও তাঁর মনে পড়ে। তবে সব ছাপিয়ে মায়ের আনন্দ ও বিস্ময় তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল। যেন একটা অমানবিক পরিশ্রমের শেষমেশ ইতি হলো। বিশেষ স্মৃতির মধ্যে, রেজাল্টের আগের আর পরের তারতম্যের কথা মনে আছে। দুপুরবেলা, কেবল বাবা আর আমি গ্রিন রোডের একটা দোকানে বসে নাশতা খেয়েছিলাম।

নিজের শিক্ষাজীবনের এই অর্জন ক্যারিয়ারে কতটুকু প্রভাব ফেলেছে, এমন প্রশ্নে অনিক বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়াটা একটি ধাপ মাত্র। এর চেয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ফলাফল এবং নিজের কাজের মান অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চশিক্ষার পথে এগোতে গিয়ে তিনি নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি উপলব্ধি করেছেন যে, পৃথিবীর যেকোনো সিস্টেমই অনেক ক্ষেত্রে মানুষের অজানা থাকে। তাই নতুন কোনো জায়গায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অনেক সময় আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়, এই সত্য মেনে নিয়েই এগিয়ে যাওয়াটা জরুরি।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে অনিক বলেন, প্রথম হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে পড়াশোনা করাটা ভুল হতে পারে, যা প্রত্যাশা বাড়ালে হতাশা সৃষ্টি করে। বরং পরীক্ষাটিকে জীবনের একটি ধাপ হিসেবে বিবেচনা করে স্বাস্থ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যাওয়া উচিত। তিনি ক্লাসের বাইরের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া এবং পড়াশোনার পাশাপাশি নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভবিষ্যতে বায়োমেডিক্যাল গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিকার নির্ণয়ে কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে তাঁর।

এই বিভাগের আরো খবর