1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
পরকীয়ার ফাঁদে স্বামী খুন, ২০ বছর পর স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন - আজকের কাগজ
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাহাড়ে সুরক্ষিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ট্রাম্পের বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে ত্রুটি: চার জনকে শোকজ সুখবর পেলেন শাহরুখ খান ও গৌরী প্রেসিডেন্টের অনুরোধে পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’ না চালানোর আহ্বান হাসনাতের হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর, আক্রান্ত ৯৯০ তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর দুই দফায় আরও কমলো স্বর্ণের দাম স্পেনকে বোতলবন্দী করতে ফ্রান্সের কৌশলও চূড়ান্ত!

পরকীয়ার ফাঁদে স্বামী খুন, ২০ বছর পর স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ ৯:০১ পিএম
শেয়ার করুন

পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে স্ত্রী, তার কথিত প্রেমিক ও শ্বশুর-শাশুড়িসহ চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ২০ বছর পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—নিহত কেতাব উদ্দিনের স্ত্রী নুর নাহার (৪৮), তার কথিত প্রেমিক আব্দুল গফুর (৫২), শ্বশুর নুর মোহাম্মদ (৬৮) ও শাশুড়ি ছকিনা বেগম (৬০)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামে নুর নাহার দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে কৌশলে তার প্রেমিক আব্দুল গফুরের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী, প্রেমিক এবং তার বাবা-মা মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি বাড়ির পাশের একটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।
ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চলা এ মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) তারিকুল ইসলাম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর