1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ একেবারেই নতুন - আজকের কাগজ
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না: ইসি পুলিশের ৪ ডিআইজিসহ ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি চিকিৎসক নেই, ওষুধ নেই—দুই বছর ধরে বন্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র শালিসকারীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার এইচএসসি পরীক্ষায় পুরোনো প্রশ্ন বিতরণ, ফুলবাড়ীতে সচিবসহ ৪ জনকে অব্যাহতি গজারিয়ায় মাথাভাঙ্গা খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি কামরুজ্জামান রতন চট্টগ্রামে শিশু বলাৎকারের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের মোদীর বাসভবনের সামনে থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা কেউ ভালো না করলে দপ্তর পুনর্বণ্টন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ একেবারেই নতুন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ৫:৫২ পিএম
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ একেবারেই নতুন। এটি দেশের আইনে নয়, বিদেশের আইনের সঙ্গে সংযোগ করে করতে হবে। কোথায় কী আছে সে তথ্য আগে আনতে হবে। এস্টেট (সম্পদ) ফ্রিজ করার পর আদালতের মাধ্যমে বাকি প্রক্রিয়া হবে।’

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং সমসাময়িক ব্যাংকিং নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, ‘প্রথমে এস্টেটগুলো (সম্পত্তি) ফ্রিজ করার চেষ্টা করব। আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলছি, চিঠি দিচ্ছি। ল ফার্মগুলোর সঙ্গে কথা বলছি, শিগগিরই তাঁদের হায়ার করা হবে। এস্টেট ট্রেসিং ফার্মের সঙ্গে কথা বলছি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এস্টেট ফ্রিজ করা হবে। এটিই হবে প্রাথমিক সফলতা।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে আমার ধারণা আড়াই থেকে তিন লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। বেক্সিমকোর পাচার হওয়ার অর্থ ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো। এগুলো শুধু বড় গ্রুপ। ছোটগুলোকে আপাতত দেখছি না। ভবিষ্যতে এমন কোনো কিছু যেন না হয়, তা আমরা ঠিক করতে আসছি। এজন্য আমরা প্রয়োজনীয় রেগুলেটারি সংশোধন করতে চাই।’

সমঝোতার ভিত্তিতেও পাচারকৃত টাকা ফেরানোর চেষ্টা চলছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘সব বিষয় আদালতের মাধ্যমে নয়, আউট অব কোর্ট সেটেলমেন্ট বলে একটা কথা আছে। তার আগে সব তথ্য নিতে হবে। যখন সব তথ্য থাকবে তখন তারা নেগোসিয়েশনে আসবে। নেগোসিয়শনে গেলে নির্ভুল তথ্য নিয়েই যাওয়া লাগবে। না হলে তো আমরা ঠকে যাব।’

অতীতে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে দেখানো হত জানিয়ে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি ৯-১০ শতাংশ দেখানো হতো। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা গেছে ১৩-১৪ শতাংশ। গত মাসে সেটি দেখা গেছে ৮-৯ শতাংশে আছে। সামগ্রিকভাবে মুদ্রাস্ফীতি স্বস্তির দিকেই আছে। আগামী বছর সেটিকে ৫ শতাংশ বা তার নিচে নামিয়ে আনতে পারব বলে ধারণা করছি।’

বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. জোবাইর হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পরিচালক মো. আনিসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অফিসের পরিচালক মো. সালাহ উদ্দীন, মো. আরিফুজ্জামন, মো. আশিকুর রহমান, স্বরুপ কুমার চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর