1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সান্তাহারে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ বন্ধ ৮০ লাখ অটোরিকশায় বছরে ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের গজারিয়ায় ভোক্তা অধিকার অভিযানে রেস্টুরেন্ট ও দোকানকে জরিমানা ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ নওগাঁয় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধ আটক অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের দাবি সংসদে গোপন স্থানে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখলেই গুম: চিফ প্রসিকিউটর দুই ধনী দেশ থেকে জাবেদ-নজরুলের নথি দুদকের হাতে ‎নারী নিয়ে অনৈতিক কাজে বাঁধা দেয়ায় ববি ছাত্রদলের দুই নেতাকে মারধর

বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬ ৯:১৭ পিএম
শেয়ার করুন

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন এবং নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন না করার কারণে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) একটি বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এ বিষয়ে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-২ এর সরকারি দলের সদস্য শিরীন সুলতানার বিধি-৭১ এর আওতায় উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আলোচনার শুরুতে শিরীন সুলতানা বলেন, ‘দেশের অনেক মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে ফার্মেসির বিক্রয়কর্মীর পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করেন। আবার অধিকাংশ রোগী নির্ধারিত পূর্ণ কোর্স শেষ না করায় জীবাণু পুরোপুরি ধ্বংস হয় না এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। এতে প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারায় এবং সাধারণ সংক্রমণও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সকে বিশ্বের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ’ তাই বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে সরকারের পরিকল্পনা কী, তা জানতে চান তিনি।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উত্থাপিত প্রতিটি বিষয়ে দেশে বিদ্যমান আইন রয়েছে এবং সময়ে সময়েই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি ওষুধ প্রস্তুতকারী আট থেকে ১০টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে নকল ওষুধ তৈরির কারখানা শনাক্ত করেছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও জরিমানা করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘নকল ওষুধ বিক্রি বন্ধে দেশের প্রতিটি উপজেলা ও শহরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল টিম নিয়মিত ওষুধের দোকানে অভিযান পরিচালনা করছে। নকল ওষুধ পাওয়া গেলে কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, আবার কাউকে জরিমানা করা হচ্ছে। এ ধরনের অপরাধে দেশে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।’

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো ডিসপেনসারি বা ফার্মেসি যাতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না করে, সে বিষয়েও আইন রয়েছে। বিষয়টি চলমান তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জনস্বার্থে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এসব অনিয়ম প্রতিরোধে কাজ শুরু করেছে। ভবিষ্যতে আরও কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নকল ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এবং বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এই বিভাগের আরো খবর