1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মসূচি দুঃখজনকভাবে গণমাধ্যমে গুরুত্ব পায়নি: প্রধানমন্ত্রী - আজকের কাগজ
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমি না থাকলে ইসরাইলেরও অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘১৬ বছর ধরে আমাকে বুলিং করা হচ্ছে’, ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রভা কালিয়াকৈরে বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, যানবাহন চলাচলে ধীরগতি ২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মসূচি দুঃখজনকভাবে গণমাধ্যমে গুরুত্ব পায়নি: প্রধানমন্ত্রী পর্তুগালে বেনজীরের ৫২ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পাঁচ বাড়ি! চীনের অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে চট্টগ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে কামরাঙ্গীরচরে যুবক খুন, গ্রেপ্তার ২ শূন্যরেখায় দুই শিশুর কান্না, এক মায়ের আর্তনাদ—‘আমরা বাঁচতে চাই’ নওগাঁয় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক হাসপাতাল ছাড়লেন সেই আলোচিত শিবির নেতা জিসান

২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মসূচি দুঃখজনকভাবে গণমাধ্যমে গুরুত্ব পায়নি: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬ ৯:৪৯ পিএম
শেয়ার করুন

সম্প্রতি শেষ হওয়া শিক্ষা বিভাগীয় একটি আয়োজনে সারা দেশের প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ সত্ত্বেও বিষয়টি দেশের সংবাদমাধ্যমে প্রত্যাশিত গুরুত্ব পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। এ সময় দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্মের সামনে এখন একটি বড় সমস্যা হচ্ছে মাদক। বিশ্বব্যাপী কমবেশি থাকলেও আমাদের এখানে এর প্রকোপ আশঙ্কাজনক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কতজনকে ধরব, কতজনকে চিকিৎসা দেব বা কাউন্সেলিং করব? আমাদের তো সক্ষমতা ও সম্পদের একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই এই সমস্যার সমাধানে আমাদের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।’

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের শারীরিক ও মানসিক যে বিপুল শক্তি থাকে, তা ইতিবাচক খাতে ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে হবে। আর এর অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো খেলাধুলা ও সংস্কৃতি। অথচ ঢাকা শহরসহ সারা দেশে এখন খেলার মাঠের তীব্র সংকট।

তরুণদের এই শক্তিকে কাজে লাগাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে “নতুন কুঁড়ি” স্পোর্টস ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা চালু করেছি। সম্প্রতি শেষ হওয়া একটি শিক্ষা বিভাগীয় ইভেন্টে সারা দেশের প্রায় ২২ লাখ ছেলে-মেয়ে অংশ নিয়েছে। দল-মতনির্বিশেষে সকল পরিবারের সন্তানেরা এখানে যুক্ত হয়েছে। অথচ দুঃখের বিষয়, এত বড় একটি আয়োজন আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে সেভাবে গুরুত্ব পায়নি।’

কেবল খেলাধুলা নয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তরুণদের মেধা বিকাশের জন্য জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উদ্ভাবনী মেলা বা সায়েন্স ফেয়ার আয়োজনের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বছরের নির্দিষ্ট কিছু দিন (যেমন ১৬ ডিসেম্বর বা ২১ ফেব্রুয়ারি) ছাড়া কেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছর সাংস্কৃতিক বা বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয় না। যুবসমাজকে সুস্থ ধারায় ফেরাতে এই চর্চাগুলো সারা বছর চালু রাখতে হবে।

তরুণদের নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং সামাজিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার ওপর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকাল দেখা যায় একটা জীবন্ত প্রাণীকে পিটিয়ে মারা হচ্ছে এবং ১০ জন মিলে তা মোবাইলে রেকর্ড করছে। এগুলো অস্বাভাবিক মানসিকতা। স্কুল পর্যায় থেকেই আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

সভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ এবং সরকারের প্রস্তাবিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়েও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এই বৃহৎ আয়োজন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কর্মসূচি উপজেলা, জেলা ও জাতীয়—এই তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইতিমধ্যে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ২৮ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নির্বাচিত দলগুলো তাদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করবে।

এই বিভাগের আরো খবর