1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
৫ আগস্টের পরে অনেক জায়গায় হামলা হয়েছে যারা এই কর্মকান্ড করেছে এরা হচ্ছে ধান্দাবাজ: সারজিস আলম - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন মামলায় ইরানি নির্মাতা জাফর পানাহিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচ জয়ের ছক কষছেন কোচ ডুলি বাংলাদেশ-জাপান ৬টি চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোশাররফ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব বিএফআইইউর উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

৫ আগস্টের পরে অনেক জায়গায় হামলা হয়েছে যারা এই কর্মকান্ড করেছে এরা হচ্ছে ধান্দাবাজ: সারজিস আলম

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫ ২:৩৩ পিএম
শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, ‘৫ আগস্টের পরে অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় চলে গিয়েছে। বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা হয়েছে। এ জন্য আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরন হয়, কারণ যারা এই কর্মকান্ড করেছে তারা সুযোগসন্ধানী, দখলদার। এই কাজগুলো আওয়ামী লীগের সময়ও করেছে, এখনো কেউ কেউ করছে, আগামীতেও করবে। আসলে এরা কোনো দলের না, এরা হচ্ছে ধান্দাবাজ। এদেরকে জায়গা দেওয়া যাবে না।’

শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়েরর আটোয়ারীর রানীগঞ্জ পটেশ্বরী কালিমন্দিরের দখল হওয়া জমি পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন তিনি।এ সময় পঞ্চগড়হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কল্যান কুমার ঘোষ, আটোয়ারী উপজেলা সভাপতি কমলেশ চন্দ্র আটোয়ারী উপজেলার সনাতন ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল আটোয়ারী উপজেলা অফিস চত্বরে বিএনপির এক নেতার সঙ্গে হওয়া বাগবিতন্ডার বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, ‘মানুষের ব্যথাগুলো শুনে যদি গিয়ে বলতে পারি কিছু করতে পারি তাহলে মানুষের লাভ। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমাদের এই কাজটা করতে হবে। আমরা খালি মঞ্চে উঠে বড় বড় লেকচার দেব, মানুষের কথা শোনার ভান করব, অভিনয় করব, সেই কাজ করব না। অফিসিয়াল যে অথরিটি তাদের কাছে গিয়ে এই ভয়েসটা দেন না, তাহলে তো আলটিমেটলি লাভ হইলো না।’

তিনি বলেন, ‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে একটা দলের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি আমার এই কাজটাই করেছি। সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত বিষয় যেটা খুব স্বাভাবিকভাবে না সেন্ট্রাল পর্যায়ে যারা নেতা রয়েছেন তাদের মধ্যে কিন্তু একটা সুন্দর তুলনামুলক মিউচুয়াল রেসপেক্টের একটা সম্পর্ক থাকে। স্থানীয় পর্যায়ে কেন জানি কোনো একটা দল দেখলেই মনে করে যে তারা মনে হয় প্রতিপক্ষ।’

সারজিস আলম বলেন, ‘যারা নিজেদেরকে এই মনে করে যে আমরা যেন ক্ষমতায় চলে যাচ্ছি কয় দিন পরে তারা বাকিদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করা শুরু করে এবং ওইভাবেই ট্রিট করে যে তাকে আমি একটু বাধা দিতে পারলে মনে হয় আমি বড় হয়ে গেলাম তাকে পেছন থেকে টানতে পারলে মনে হয় এলাকায় আমার ভাব বেড়ে গেল আমার ফাপড় বেড়ে গেল। মানে এরকম কিছু আমার মনে হয় যে ছোট মনমানসিকতা এখনও রয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে। হয়তো সেন্ট্রাল পর্যায় থেকে এই নির্দেশনা আছে যে তারা যেন এগুলো থেকে বের হয়ে আসে তারপরও তারা বের হতে পারছে না।এ জন্য আমার জায়গা থেকে মনে হয়েছে গতকালকে একজন কোনো কিছু না জেনে না বুঝেই মানে কোনো একটা জিনিসকে একটু বিব্রতকর করবে এই ইনটেনশন নিয়ে এসে বলা যে এগুলো করতে পারেন কি না কথা বলতে পারেন কি না।’

তিনি বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি যদি একজন কর্মচারী কিংবা সরকারি অফিসে কারো সাথে কথা না বলতে পারে তাহলে জনগণ যে সমস্যাগুলোতে ভুগছে তাদের কাছে জনগণ এসে যে একটা ভালো ব্যবহার পায় না। তাদের কাছে এসে যে সুযোগ সুবিধাগুলো পায় না। এগুলো তাহলে আমি তাদেরকে কীভাবে বলব যে জনগণের আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে আপনি এটা ঠিক করেন। জনগণ বলছে আপনি টাকা খাওয়া ছাড়া কাজ করেন না, এটা আপনার ঠিক করতে হবে। আমার তো আমার জায়গা থেকে এগুলো বলতে হবে।’

এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘আরেকটা বিষয় আমার উপজেলায় ইউএনও নেই, সমাজসেবা অফিসার, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নেই- এ রকম ১০টা মূল অফিসের পাঁচটাতেই কর্মকর্তা নেই। আমরা যদি সেন্ট্রালে গিয়ে যে অথরিটি রয়েছে তাদের সাথে কথা বলে যদি দ্রুত আনতে পারি তাহলে তো মানুষ এই সেবাটা পাবে। না হলে তো মানুষের সেবাই বিঘ্নিত হচ্ছে। সো আমাদের আসলে এই মনমানসিকতা থেকে বের হতে হবে যে অন্য কেউ একটা দলের মানে সে আমার প্রতিপক্ষ এবং তাকে একটু খোঁচাতে পারলেই আমি বড় হয়ে গেলাম। এই ছোট মন মানসিকতা থেকে বের হয়ে এসে আমরা যেন সবাই অন্তত এলাকা এবং মানুষের স্বার্থকে সামনে রেখে একসাথে কাজ করি। এটা যদি আমরা করতে পারি তাহলে এলাকা এগিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আর স্পেশালি আমাদের এই উত্তরের মানুষদের এক্ষেত্রে আরও উদার হতে হবে। আমরা যেন একসাথে কাজ করে এলাকাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। দিন শেষে মানুষ কিন্তু পেছনে জানে যে কারা এরকম পাতি মাস্তানি করে কারা এরকম বিভিন্ন নেতার তোষামোদি করে দুই চার পাঁচশ টাকা খেয়ে মানুষকে ডিস্টার্ব করে বেড়ায় এটা মানুষ জানে পেছনে বলে তো এ জন্য এই যুগ আসলে চলে গেছে ‘

সারজিস আলম বলেন, ‘এখন আমরা মানুষের জন্য কাজ করি তাহলে মানুষই আমাদেরকে আমরা যদি কোনো একটা বড় রাজনৈতিক পদে যেতে চাই, প্রতিনিধি হতে চাই, মানুষ ভোট দিয়ে সেটা আমাদের সেটা নির্বাচন করবে। সো মানুষই আসলে আমাদের সবচেয়ে বড় ম্যান্ডেট এজন্য আমরা মানুষের জন্য কাজ করব। এটা জন্য যে অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন যেইখানে দৌড়ানো প্রয়োজন আমরা দৌড়াব।’

এই বিভাগের আরো খবর