1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবায় ডাক্তার আছেন ১৬ জন - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
উখিয়ায় নলকূপের গ্যাসে আগুন, ৪০ ঘণ্টাতেও অধরা নিয়ন্ত্রণ জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে টেন্ডার বাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না: জাবের উৎপাদন খরচের চেয়ে দুধ-মাংসের বাজারমূল্য অনেক বেশি, সংসদীয় কমিটির নজরদারি গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি, কুড়িগ্রাম-উলিপুরে জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ ছাগলনাইয়ায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত যুবদল নেতার বিরুদ্ধে |: গোমস্তাপুরে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা ঘটনায়, টাকা ছিনতাইয়ের শিক্ষামন্ত্রী: আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু: জড়িতদের ধরতে মাঠে পুলিশ

৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবায় ডাক্তার আছেন ১৬ জন

ভোলা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ ৮:৩৫ পিএম
শেয়ার করুন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার প্রায় ছয় লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসা ১০০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে চিকিৎসক সংকটের কারণে হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ৪২ মেডিকেল অফিসারের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ১৬ চিকিৎসক। ফলে সীমিত জনবল নিয়েই বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

চরফ্যাশন শহর থেকে ভোলা জেলা সদর হাসপাতালের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। গুরুতর রোগীদের অনেক সময় সেখানে পাঠানো হলেও স্বজনদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে অধিকাংশ রোগীকেই পরে বরিশাল বা ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে রেফার করা হয়। দীর্ঘ যাত্রাপথে অনেক রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটে, এমনকি কেউ কেউ পথেই মারা যান বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৪০০ থেকে ৫০০ জনের বেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নেন। এ ছাড়া নিয়মিত শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। ২৪ ঘণ্টা চালু জরুরি বিভাগেও প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী আসেন। শুধু চরফ্যাশন নয়, পার্শ্ববর্তী দ্বীপ উপজেলা মনপুরা থেকেও অনেক রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।

হাসপাতালে ভর্তি চার মাস বয়সী এক শিশুর বাবা সবুজ খান বলেন, তাঁর সন্তান হামে আক্রান্ত হয়ে কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কিন্তু পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় কাক্সিক্ষত পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতালের টয়লেট ও বিশুদ্ধ পানির সংকটও রয়েছে। সন্তানের অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি।

প্যাথলজি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হাসপাতালের বাইরে করাতে হচ্ছে। এতে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। বিভাগটিতে সেল কাউন্টার (ব্লাড কাউন্ট) মেশিন, ল্যাব রোটেটর, আধুনিক মাইক্রোস্কোপ, রেফ্রিজারেটর, সেন্ট্রিফিউজ মেশিন ও বায়োকেমিস্ট্রি অ্যানালাইজারসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির ঘাটতি রয়েছে। ফলে অনেক পরীক্ষা এখনো পুরোনো মাইক্রোস্কোপিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাকলুকুর রহমান বলেন, ৫০ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী ৪২ মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ১৬ জন। এ ছাড়া ১০ কনসালট্যান্ট থাকার কথা থাকলেও আছেন মাত্র দুজন অ্যানেসথেসিয়া ও অর্থোপেডিক বিভাগের। জনবল সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন বসাক বলেন, জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়দের দাবি, চরফ্যাশনের বিশাল জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা জরুরি।

এই বিভাগের আরো খবর