1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ঈদের আগে বাড়ল রিজার্ভ - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ মিরপুরের ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জামায়াতের ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই, দাবি অপারেটরদের ডেঙ্গুর ভয়াবহতা: একদিনে ৮ জনের প্রাণহানি, লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত সাইবার আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ভ্রাম্যমান আদালতে চার মাদকসেবীর কারাদণ্ড ফুলবাড়ীতে ২৯ বিজিবির অভিযানে ২৯৭ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ নওগাঁয় বাস শ্রমিককে মারপিট অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি চরমে তথ্যের সত্যতা ও প্রেক্ষাপট যাচাই করে প্রতিক্রিয়া জানানোর আহ্বান জানালেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

ঈদের আগে বাড়ল রিজার্ভ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১১:৩৭ এএম
শেয়ার করুন

ঈদের আগে চাঙা ছিল রেমিট্যান্স প্রবাহ। রপ্তানি আয়ও কিছুটা বেড়েছে। ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়ে আবারও ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছে। গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসের শেষ দিকে (২৭ মার্চ) রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৪৮১ কোটি ডলারে ও বিপিএম-৬ ছিল ১ হাজার ৯৪৫ কোটি ডলার (১৯ দশমিক ৯৬বিলিয়ন)। চলতি মাসের ৮ এপ্রিল গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলারে ও বিপিএম-৬ হয়েছে ২ হাজার ১০ কোটি ডলারে (২০ দশমিক ১০ বিলিয়ন)। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা শুধু আইএমএফকে দেওয়া হয়। প্রকাশ করা হয় না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। প্রতি মাসে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে কষ্টসাধ্য হবে বাংলাদেশের জন্য। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন শেষ প্রান্তে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হল বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগে প্রবাসীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া রপ্তানি প্রবাহও বেড়েছে এসব কারণেই মূলত কিছুটা রিজার্ভ বেড়েছে।
বাজারে ‘স্থিতিশীলতা’ আনতে রিজার্ভ থেকে নিয়মিত ডলার বিক্রি করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সময়ে বাণিজ্যিক কিছু ব্যাংক থেকে এক বিলিয়ন ডলারের মতো কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক, যার পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলারের মতো।
২০২২-২৩ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছিল। তার আগের অর্থবছরে ( ২০২১-২২) ডলার বিক্রি করেছিল ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

এই বিভাগের আরো খবর