1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে না ফেরার দেশে আজিবর কুড়িগ্রামে ধরলাম ব্রিজে ১০ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ২ আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলে দেশে ফিরলেন বঙ্গভবনে ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ: চিফ হুইপ বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, অতীতের ভুলত্রুটির জন্য চাইলেন ক্ষমা নওগাঁয় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা স্বামীর শেষ বিদায়ে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি হিলিতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত চরফ্যাশনে ওষুধ প্রশাসনের অভিযানে জরিমানা

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১০:০০ পিএম
শেয়ার করুন

টানা ২৫ দিনের তীব্র গ্যাস সংকটের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার আশা তৈরি হলেও আবারও সরবরাহ কমে গেছে। নতুন এলএনজি কার্গো না আসায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ৩টায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

এতে সারা দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার সামিটের টার্মিনাল পুরোদমে এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক চালু হলে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছিল।

তবে নতুন এলএনজি কার্গো না থাকায় গত তিন দিন ধরে এক্সিলারেটের সরবরাহ কমছিল। শেষ পর্যন্ত বুধবার বিকেলে টার্মিনালটি থেকে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
এলএনজি আমদানি জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে তদারক করে পেট্রোবাংলা। আমদানির দায়িত্বে রয়েছে পেট্রোবাংলার কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।

এলএনজি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এলএনজির মজুত না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কম দামে এলএনজি কেনার জন্য সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে বেশ কয়েকটি কার্গোর ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছিল। চলতি মাসে এসবের মধ্যে চারটি কার্গো দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত একটিও আসেনি। ফলে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা এলএনজি কার্গো না আসায় সংকট আরও বেড়েছে। টার্মিনাল প্রস্তুত থাকলেও পর্যাপ্ত এলএনজি না থাকায় সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির এবং অন্যটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে শনিবার এটি আবার পুরোদমে এলএনজি সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হয়। তবে নতুন কার্গো না আসায় পুরোনো মজুত থেকে সীমিত পরিমাণে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। সোমবার থেকে সেই সরবরাহও কমতে থাকে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার একটি এলএনজি কার্গো দেশে আসার কথা রয়েছে। সেটি সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে এক্সিলারেটের জন্য একটি কার্গো ২৩ বা ২৪ আগস্ট আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এতে গ্যাস সংকট আরও বাড়তে পারে।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে গড়ে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে আসে প্রায় ১০৫ কোটি ঘনফুট। এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিটের টার্মিনাল থেকে এলএনজি গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনে সরবরাহ করা হয়।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট। সামিটের টার্মিনালের সক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট। গত শুক্রবার বিকেলে দুটি এলএনজি টার্মিনালই বন্ধ থাকায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ নেমে এসেছিল দৈনিক ১৬৪ কোটি ঘনফুটে।

ওই দিন সন্ধ্যায় সামিটের টার্মিনাল থেকে ৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। এরপর শনিবার ভোরে দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে দাঁড়ায় ২৪২ কোটি ঘনফুটে। তবে রোববার তা কমে ২৪০ কোটি এবং সোমবার ২২৮ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে।

বুধবার এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ আরও কমে ২১৮ কোটি ঘনফুটে নেমেছে। একই সঙ্গে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

মঙ্গলবার এলএনজি থেকে প্রায় ৬৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল। বুধবার এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সেই সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৫ কোটি ঘনফুটে।

ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, সার কারখানা ও আবাসিক গ্রাহক-সব খাতেই গ্যাস সংকটের চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নতুন এলএনজি কার্গো দ্রুত না এলে আগামী কয়েক দিন পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর