1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বারিতে - আজকের কাগজ
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ থাকবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কথিত অভিনেত্রী সুলতানা নিপার বাসা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার দীর্ঘ ২২ বছর পর শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং ‘দাই দাই’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: শফিকুর রহমান জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর নব গঠিত কমিটি থেকে গণপদত্যাগের ডাক আম পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে নিহত ১ শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় শিক্ত হয়ে বিদায় নিলেন ববি উপাচার্য ড.তৌফিক আলম

কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বারিতে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ ১১:৫০ এএম
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এর উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের ফল বিভাগের আয়োজনে অমৌসুমী ফলের আধুনিক উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বারি’র উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. অপূর্ব কান্তি চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে এ কৃষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের ফল বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বাবুল চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে আরো বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গাজীপুরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, ফল বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জিল্লুর রহমান।

কৃষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের যে পরিমাণ ফল উৎপাদিত হয় তা দিয়ে মোট চাহিদার মাত্র ৪১% মেটানো যায়। একজন সুস্থ ব্যক্তির দৈনিক ফলের চাহিদা প্রায় ২০০ গ্রাম। কিন্তু আমাদের দেশে মোট উৎপাদিত ফল দিয়ে একজন ব্যক্তির মাত্র ৮২ গ্রাম চাহিদা মেটানো যায়। ফলে প্রতি বছর আমাদের বিপুল পরিমাণ ফল আমদানি করতে হয় এবং এর ফলে বিপুল পরিমাণে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। তাই আমাদের দেশে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। আমাদের দেশে মোট ফলের ৫৬% উৎপাদিত হয় মে-আগস্ট এই চার মাসে। বাকি আট মাসে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর-এপ্রিল সময়ে মাত্র ৪৪% ফল উৎপাদিত হয়। তাই এই সময়ে আমড়া, লটকন, আতা, শরিফা, সফেদা, মাল্টা, কমলা, বাতাবী লেবুর মতো অমৌসুমী ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে মোট ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করার মাধমে জনগণের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করা সম্ভব।

‘Development of lean season fruit varieties and management packages- PIU-BARC, NATP-II’ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ৩০ ফলচাষী অংশগ্রহণ করেন।

এই বিভাগের আরো খবর