1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন জেডি ভ্যান্স |: ইরান যুদ্ধই আমাদের পরাজয়ের কারণ শ্রমিকদের দাবি ও কর্মবিরতি নিরসনে আলোচনার পথ খোলা: শ্রমমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পুনর্নির্বাচিত ইলহান ওমর শি জিনপিং যেভাবে শক্তিশালী করেছেন নিজস্ব রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি নতুন শিক্ষাক্রমে তৃতীয় ভাষা: বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রশাসনের জবাবদিহি চাইবেন ডেমোক্র্যাটরা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের আধিপত্যে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সাভারে শ্রমিক বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ: পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ

পোশাকশিল্পে অস্থিরতা পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:০৯ পিএম
শেয়ার করুন

পোশাকশিল্পে বর্তমানে যে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে, তা কোনো সাধারণ বা স্বাভাবিক শ্রমিক আন্দোলন নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া পর্যালোচনা বিষয়ক এক আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার লক্ষ্যে সাধারণ শ্রমিকদের ব্যবহারের মাধ্যমে একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সহিংসতা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রমিকেরা কাজে ফিরলে শিল্প উৎপাদন সচল থাকবে। অথচ একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, পোশাকশ্রমিকদের বর্তমানে কোনো অমীমাংসিত দাবি অবশিষ্ট নেই। তিনি জানান, তদন্তে উঠে এসেছে যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বেশ কয়েকজন কারখানা মালিক, সাবেক সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের রাজনৈতিক এজেন্ডা এই পরিস্থিতির পেছনে কার্যকর রয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ থেকে পরিচালিত কিছু মাফিয়া ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর চক্রান্তও এতে যুক্ত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত শ্রমিক আন্দোলনের নামে কিছু বহিরাগত ও অশ্রমিক বিভিন্ন কারখানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রতি তিন বছর পর নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া সরকার আগেই শুরু করেছিল। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি দিতে বিলম্ব হওয়ার কারণে বোর্ড গঠনে সাময়িক দেরি হলেও বর্তমানে সেটি কার্যকর হয়েছে। সিনিয়র জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের প্রথম সভাও শেষ হয়েছে। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে বোর্ড তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। নাম পাওয়ার পরপরই মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার চরম ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে। গুরুতর আহত হয়ে পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তাদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ না করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যেকোনো মাফিয়া বা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। শ্রমিকদের গুজবে কান না দিয়ে দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার আহ্বান জানান তিনি, যাতে জাতীয় অর্থনীতি ও তাদের কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকে।

সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীর আটকের বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এদিন সভায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, একই দিনে সকালে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সীমান্ত সুরক্ষায় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শুধুমাত্র প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নয়, বরং এটিকে মানবিক অধিকার ও পেশাদার মানদণ্ডে উন্নীত করতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। সীমান্ত ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোনো একক দপ্তরের নয়, বরং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় এটি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশের সীমান্তকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ বিশ্বায়নে বড় অবদান রাখবে।

এই বিভাগের আরো খবর