1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মিরপুরে অবৈধ অটোরিকশা টোকেন চাঁদাবাজী বন্ধ হবে কি? - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
‘নির্বাচিত সরকারের প্রথম দায়িত্ব হবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ’ সরকারের উদ্যোগে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে ওসমান হাদিকে ফের রাজধানীতে বাসে আগুন রাজাকারের ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ, লক্ষ্যভেদে মিলছে পুরস্কার তদন্তে প্রমান মিললেও র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে শাস্তি কার্যকরে কালক্ষেপন ববি প্রশাসনের শীতকে বরণ করে নিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শীত উৎসব’ রুয়েটে অর্ধদিবস ব্যাপী কর্মসূচিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক এলাকায় নকল সাবান উৎপাদনের একটি কারখানায় র‍্যাব’র অভিযান হিলিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ ঝিনাইগাতী ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রুবেল

মিরপুরে অবৈধ অটোরিকশা টোকেন চাঁদাবাজী বন্ধ হবে কি?

এস এম রাসেল
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪
শেয়ার করুন

হাইকোর্ট থেকে অটোরিকশা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হলেও ট্রাফিক পুলিশের কোনো কার্যক্রম বা ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি রাজধানী মিরপুরের কোথাও। অবৈধ হলেও মিরপুর এলাকার প্রধান সড়কগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। ট্রাফিক সার্জেন্টদের সামনে চলাচল করলেও তারা দেখেও না দেখার ভান করছে ! আর বেপরোয়া চলাচলের কারণে দুর্ঘটনার প্রবণতা দিনদিন বাড়ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের মতে, মিরপুর ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর, পল্লবী, রূপনগর, শাহআলী, শিয়াল বাড়ি, চিড়িয়াখানা রোড, গুদাড়াঘাট, দুয়ারীপাড়া, ইস্টার্ন হাউজিং, লালমাটি, বাউনিয়াবাঁধ, জুটপট্টি এলাকায় প্রায় ১২-১৫ হাজার অটোরিকশা চলাচল করে। এ সকল অটোরিকশা ট্রাফিক পুলিশের সামনেই সড়ক দাপিয়ে বেড়ানোর পেছনে চলছে টোকেন দিয়ে কোটি টাকা চাঁদার বানিজ্য। এই চাঁদা ক্ষমতাসীন দলের নেতা, তথাকথিত নামধারি সাংবাদিকের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের টিআই, সার্জেন্টসহ স্থনীয় থানা পুলিশে কারও কারও পকেটে যায় বলে অভিযোগ অটোরিকশা চালক ও গ্যারেজ মালিকদের। সূত্রে জানা গেছে, পল্লবী, মিরপুর ১৩ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় ২ হাজার অটোরিকশা চলাচল করে। রূপনগর ও তার আশপাশের এলাকায় চলে প্রায় ৫ হাজার রিকশা। শাহআলী এলাকাতে প্রায় ২ হাজার অটোরিকশা চলে। কালাপানি, ১২ নাম্বার মোল্লা বস্তি, লালমাটি, বাউনিয়াবাঁধ, জুটপট্টি এলাকাতে প্রায় ৬ হাজারের বেশি অটো চলাচল করে। এই ১৫ হাজারের বেশি অটোরিকশার প্রত্যেকটি থেকে প্রতিমাসে ১৫ থেকে ১৮শ’ টাকা চাঁদা তোলা হয়। হিসাব অনুযায়ী, তাতে প্রতিমাসে ওঠে কোটি টাকার বেশি চাঁদা। কোনো অটোরিকশাচালক যেন অলিগলির ফাঁক-ফোকরে চাঁদা বিহিন চলতে না পারে, সেজন্য প্রতিমাসে কথিত সাংবাদিকের ভিজিটিং কার্ড বা ট্রাফিক সার্জেন্টদের মননিত চাঁদাবাজাদের দিয়ে মার্কা দেওয়ার টোকেনের নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। এক মাসের চাঁদা দিলে পরের মাসের জন্য দেওয়া হয় তারিখ পরিবর্তন ভিজিটিং কার্ড বা লোঘো মার্কা টোকেন। মিরপুর এলাকায় দেখা গেছে, সেখানকার অনেক গ্যারেজেই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে ব্যাটারিতে চার্জ। সূত্রে জানা গেছে,  অটোরিকশা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস আগে রূপনগর থানায় ৫ জনের নাম উলেক্ষ্যে করে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলায় একজন গ্রেপ্তার হলেও বাকিরা জামিনে এসে আবার পুনরায় সেই অটোরিকশা টোকেন ব্যবসার নামে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে। বিভিন্ন গ্যারেজ মালিকরা অভিযোগ করে বলেন, এই চাঁদাবাজদের পেছনে রূপনগর থানার এক পুলিশ অফিসার এর হাত রয়েছে এ কারণেই চাঁদাবাজরা এতটা বেপরোয়া যে তাদের কে কোন ভাবে দমানো যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে গ্যারেজ মালিকরা অটোরিকশার কার্ড নিতে হচ্ছে  চাঁদাবাজদের কাছ থেকে। গ্যারেজ মালিকরা আরো অভিযোগ করে বলেন, গত জানুয়ারি মাসে আমাদেরকে অটোর টোকেন নিতে বিভিন্নভাবে চাপ দেয়। আমরা টোকেন নিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বিভিন্ন গ্যারেজ থেকে চার্জার এবং অটো রিকশার সরঞ্জামাদি নিয়ে আসে রুপনগর থানার এ এসআই আবুল কালাম আজাদ । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুয়ারীপাড়া বালুর মাঠের একজন গ্যারেজ মালিক বলে, “আমরা টোকেন নিতে চাইনি, “কিন্তু রূপনগর থানার তদন্ত অফিসার আমাদের গ্যারেজ থেকে একজন পুলিশ অফিসারের মাধ্যমে রিকশার চার্জার ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি নিয়ে গিয়ে থানার নিচে গার্ড রুমে রেখে দেয়”। “পরবর্তীতে আমরা ঐ অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে তোমরা যদি টোকেন নাও তাহলে তোমাদের সব কিছু দেয়া হবে”! সালাম নামের একজন রিকশা চালক বলেন, “পুলিশ যদি আমাদেরকে এভাবে টোকেন নেয়ার জন্য চাপ দেয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব” ! “আর কি করেই বা সংসার চালাবো “! এ ঘটনায় তারা কোন প্রতিকার চেয়েও প্রতিকার পাচ্ছে না স্থানিয় থানা পুলিশের কাছে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার রুপনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল আলম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করাহলে তিনি “আজকের কাগজকে” বলেন, “পুলিশের দায়িত্বশীল কেউ এই  অবৈধ অটোরিকশার টোকেন বাণিজ্যর সাথে জড়িত নন”। “আর অবৈধ রিকশা চালাতে যারাই সহযোগিতা করছে তাদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না”। “অতি দ্রুতই এ সকল টোকেন ও কার্ড ব্যাবসায়ী চাঁদাবাজদের চিনহৃকরে তাদের বিরুদ্ধে আইনআনুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি”। “তবে কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় নেবে না এ বাহিনী”। অন্যদিকে রূপনগর থানার একজন পুলিশ অফিসারের সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশা চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের মামলার ৫ আসামীর কয়েকজন তদন্ত অফিসারের রুমে প্রায়ই ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকে এবং পরামর্শ করে ! যা কিনা থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে দেখা যাবে। তবে সচেতনমহলে দাবী ঝুঁকিপূর্ণ অটোরিকশা বন্ধ হোক। পাশাপাশি সেই সাথে রিকশা শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হোক। যেনো তারা কর্ম করে খেতে পারে এমন প্রত্যাশা দুর্ঘটনার শিকার সাধারণ ভুক্তভোগীদের। পরবর্তী প্রতিবেদনে আসছে বিস্তারিত…

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *