1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মেসিদের জন্য আনা হয়েছে ৫০০ কেজি গরুর মাংস! - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙে দিলেন শ্রমিক দলের নেতা ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগকর্মীর মৃত্যু, ওসি প্রত্যাহার স্বস্তিকার হাতে ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’, কী বললেন রচনা? প্রধানমন্ত্রীর সফরে যোগ দিতে রাতে ঢাকা ছাড়বেন দুই মন্ত্রী পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ জাহেদ উর রহমান প্রসঙ্গে বক্তব্য স্পষ্ট করল ভারত আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

মেসিদের জন্য আনা হয়েছে ৫০০ কেজি গরুর মাংস!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ৮:৫৮ পিএম
শেয়ার করুন

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই শুধু মাঠের লড়াই আর কৌশল আর গোলবন্যা নয়; বিশ্বমঞ্চে মাঠ মাতাতে ফুটবলারদের ডায়েট আর দেশি খাবারের রসদ জোগানোও এক বিশাল যুদ্ধ। গত কাতার বিশ্বকাপে মেসিবাহিনীর জন্য হরেক রকম ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

এবার ২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপেও তার ব্যতিক্রম হলো না। আর্জেন্টাইনদের প্রাণের খাবার এবং প্রধান খাদ্যই হচ্ছে খাস গরুর মাংস। বিশেষ করে তাদের স্থানীয় পদ্ধতিতে কয়লার আগুনে পোড়ানো বা সেঁকা বারবিকিউ মাংস, যা ‘আসাদো’ নামে পরিচিত, তা ছাড়া আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা যেন মাঠেই নামতে পারেন না! আর সেই ‘আসাদো’র রসদ জোগাতে এবারও বিশ্বকাপ খেলতে আসার আগেই নিজেদের দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ মাংসের চালান উড়িয়ে নিয়ে এসেছে আর্জেন্টিনা।

বিগত কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা এবং উরুগুয়ে ফুটবল দল যৌথভাবে প্রায় ৯০০ কেজি মাংস নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমিয়েছিল। এবার আমেরিকা বিশ্বকাপেও সেই জিভে জল আনা ঐতিহ্যে কোনো ঘাটতি রাখেনি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্টাইলে কাটা ৫০০ কেজি খাঁটি আর্জেন্টাইন গরুর মাংস সরাসরি পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অবস্থিত আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে।

তবে আমেরিকার মাটিতে খাবার ঢোকানোর কড়া নিয়ম থাকায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি- এফডিএ-এর মব কঠোর নীতিমালা মেনেই নিখুঁতভাবে এই মাংসের পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এখন কানসাসের ক্যাম্পে ধোঁয়া ওঠা ‘আসাদো’র সাথে ভুট্টা ও স্থানীয় শস্যের তৈরি রুটি খেয়ে মাঠ কাঁপাতে পুরোপুরি প্রস্তুত আলবিসেলেস্তেরা।

খাবারের এই মহাযুদ্ধে অবশ্য শুধু আর্জেন্টিনাই একা লাইমলাইট কাড়েনি; ইউরোপের পরাশক্তি নরওয়ে ফুটবল দলও আমেরিকায় নিজেদের ক্যাম্প জমিয়ে তুলেছে খোদ দেশি খাবারের পসরা দিয়ে! নরওয়েজিয়ান ফুটবলারদের শতভাগ ফিটনেস ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে তারা দেশ থেকে উড়িয়ে এনেছে ৩০০ কেজি বিখ্যাত স্যামন মাছ, ৬০০ পিস তাজা কমলা এবং ১১৬ কেজি তাদের ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় পনির।

মাঠের পারফরম্যান্স যেমনই হোক না কেন, নিজেদের দেশি খাবারের স্বাদ আর পুষ্টির জোরে ফুটবলারদের চাঙ্গা রাখার এই ‘খাদ্য কূটনীতি’ কিন্তু ফুটবল ভক্তদের মাঝে বেশ দারুণ সাড়া ফেলেছে। এখন দেখার বিষয়, ৫০০ কেজি আসাদো মাংসের এনার্জি আর ৩০০ কেজি স্যামন মাছের প্রোটিনের এই জমজমাট লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে শেষ হাসি হাসে কারা!

এই বিভাগের আরো খবর