1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
আইসক্রিম সিনেমার আড্ডায় স্মরণ করা হলো প্রয়াত শিল্পীদের - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন

আইসক্রিম সিনেমার আড্ডায় স্মরণ করা হলো প্রয়াত শিল্পীদের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:১৯ পিএম
শেয়ার করুন

দীর্ঘ ১০ বছর পর আবারও একত্রিত হয়েছিলেন ‘আইসক্রিম’ সিনেমার তারকা ও কলাকুশলীরা। ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম চরকিতে সিনেমাটির মুক্তি এবং নির্মাতা ও চরকির সিইও রেদওয়ান রনির জন্মদিনের আয়োজনে সেই আড্ডা জমে ওঠে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিনেমার প্রধান তিন মুখ শরীফুল রাজ, কুমার উদয় ও নাজিফা তুষি। এছাড়া নির্মাতা রায়হান রাফী ও শাহরিয়ার শাকিলসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই অংশ নেন এই পুনর্মিলনীতে।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শরীফুল রাজ জানান, ১০ বছর আগের সেই সময়গুলো এখনো ভীষণভাবে মনে পড়ে। তিনি বলেন, তখন আমি অভিনয় জগতে নতুন এবং তেমন পরিচিতি ছিল না। সিনেমাটির শুটিং সেটে প্রয়াত কিংবদন্তি এটিএম শামসুজ্জামানের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল এবং একসঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছিল। তাঁর কাছ থেকে যেমন স্নেহ পেয়েছি, তেমনি দিতি ম্যাডামের পরামর্শ ছিল অভিনয়ের ক্যারিয়ারে অনেক বড় প্রাপ্তি। তাঁদের সান্নিধ্য ও অভিজ্ঞতাগুলো আজ খুব বেশি অনুভব করছি। এই গুণী শিল্পীদের চিরবিদায় আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করে। অভিনেতা শরীফুল রাজ বলেন, ‘সেই আড্ডায় ১০ বছর আগের সেই সময়কে খুবই মিস করেছি। প্রয়াত এই অভিনয়শিল্পীরা এ আড্ডায় কিছুটা সময়ের জন্য প্রাণ হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য যে, ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে এটিএম শামসুজ্জামান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। একই সিনেমার আরেক অভিনয়শিল্পী পারভীন সুলতানা দিতি সিনেমাটি মুক্তির আগেই ২০১৫ সালের ১১ মে রাতে মারা যান। দিতি ও তরুণ অভিনেতা সায়েম সাদাতকে এই সিনেমা উৎসর্গ করা হয়েছিল। সায়েমও সিনেমা মুক্তির এক বছর আগে প্রয়াত হন। এটিএম শামসুজ্জামান এতে তুষির দাদার চরিত্রে এবং দিতি মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সিনেমা নিয়ে এই আড্ডার মাঝেই মন খরাপ করে দিলেন প্রয়াত অভিনয়শিল্পী এটিএম শামসুজ্জামান, পারভিন সুলতানা দিতি, সায়েমরা। এই সিনেমায় অভিনয় করেন তরুণ মেধাবী অভিনেতা সায়েম সাদাত।

কুমার উদয় বলেন, এটিএম শামসুজ্জামানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। তিনি কীভাবে সংলাপ বলতে হয় এবং অভিব্যক্তিতে প্রাণসঞ্চার করতে হয়, তা হাতে-কলমে শিখিয়ে দিতেন। সততার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা সব সময় তাঁর কাছ থেকে পেয়েছি। বন্ধুর মতো সায়েমের চলে যাওয়াও আমাদের জন্য বড় কষ্টের। উদয় আরও বলেন, আড্ডার মাঝে মনে হচ্ছিল এই তো সেদিন শুটিং করলাম, অথচ আজ তাঁরা কেউই আমাদের মাঝে নেই। এই অনুভূতিগুলোই আমাদের মুহূর্তের জন্য বিষণ্ণ করে দিয়েছিল।

এই বিভাগের আরো খবর